সাম্প্রতিক
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল তেলের দাম রাশিয়ায় নতুন করে ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া, দাবি জেলেনস্কির হাসিনা ও হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ঢাকার চাষের মাছে কাদা-কাদা গন্ধ হয় কেন, কী করলে গন্ধ থাকবে না? জুলাই-পরবর্তী সাংস্কৃতিক পরিসর: পরিবর্তনের ইঙ্গিত কোথায়? সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকার চুক্তি সামিরা-আজিজের, দাবি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর দেশে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, এক বছরে ৩০ বার বন্ধ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র
Skip to content

গাধার সংখ্যা বেড়েছে পাকিস্তানে

অনলাইন ডেস্ক :

পাকিস্তানে গত কয়েক বছরে ‘ভারবাহী’ পশু বলে পরিচিত গাধার সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলছে। চলতি বছর এ সংখ্যা বেড়ে ৫৮ লাখে দাঁড়িয়েছে। যা গত বছিরের তুলনায়ব ১ লাখ বেশি। পাকিস্তান ইকোনমিক সার্ভে (পিইএস) ২০২২-২৩ অনুযায়ী এ তথ্য জানা গেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশটিতে গাধার সংখ্যা ছিল ৫৫ লাখ। ২০২০-২১ অর্থবছরে সে সংখ্যা বেড়ে ৫৬ লাখ হয়। ২০২১-২২ অর্থবছরে গাধার সংখ্যা ছিল ৫৭ লাখ। আর ২০২২-২৩ অর্থবছরে সে সংখ্যা বেড়ে ৫৮ লাখে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তানে পশুসম্পদ রপ্তানি খাত থেকে নিট যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়ে থাকে, তা মোট রপ্তানির প্রায় ২ দশমিক ১ শতাংশ। গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইশাক দারের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটিতে গরুর সংখ্যা বেড়ে ৫ কোটি ৫৫ লাখে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া মহিষের সংখ্যা বেড়ে সাড়ে ৪ কোটি, ভেড়ার সংখ্যা ৩ কোটি ২৩ লাখ এবং ছাগলের সংখ্যা বেড়ে ৮ কোটি ৪৭ লাখে দাঁড়িয়েছে।

তবে গত চার বছরে উট, ঘোড়া ও খচ্চরের সংখ্যায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। পাকিস্তানে এখন উটের সংখ্যা ১১ লাখ, ঘোড়ার সংখ্যা ৪ লাখ এবং খচ্চরের সংখ্যা ২ লাখ। পাকিস্তানে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে পশুপালন একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অবলম্বন। দেশটিতে ৮০ লাখের বেশি মানুষ গবাদিপশু পালনকাজে জড়িত। তাদের আয়ের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ এ খাত থেকে আসে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্যনিরাপত্তা এবং দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য পাকিস্তান সরকার পশুসম্পদ খাতকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচনা করে থাকে।