সাম্প্রতিক
বিএনপি চাঁদাবাজ দল—এটা ‘ঢালাও’ অভিযোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ৫৩৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান-শায়ানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারি বৃষ্টিতে ৫৬ মৃ’ত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারের বেশি বাড়িঘর সংবিধান সংশোধনে আবারও গণভোট হবে: বিশেষ কমিটি ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুলের সঙ্গে আ’লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীদের যাতায়াত সুবিধায় সড়কে নামছে আরও ১০০ পিংক বাস আগামী দুই মাসে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ৮ মাসে ৭২৩ চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে ৮৫ শতাংশের
Skip to content

ঝাড়খন্ডে কয়লাখনি ধসে নিহত ৩

অনলাইন ডেস্ক :

ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের ধানবাদে শুক্রবার (৯ জুন) একটি অবৈধ কয়লাখনিতে ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়াও ধসের তলায় বহু মানুষের চাপা পড়ে থাকার আশঙ্কা করছে প্রশাসন। ফলে মৃতের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে এমনই জানা গেছে। ধানবাদের জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার সঞ্জীব কুমার বলেন, ‘ভারত কোকিং কোল লিমিটেডের (বিসিসিএল) উন্মুক্ত খনিতে ধস নেমেছে। আমরা একটি মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছি। একজনের মৃত্যু হয়েছে তা আমরা নিশ্চিত। আরো মৃত্যুর দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা বিসিসিএলের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছি। প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় শুক্রবার (৯ জুন) সাড়ে ১০টা নাগাদ ভোওরা কোলিয়ারি এলাকায় ধস নামে। জায়গাটি ধানবাদ শহর থেকে মাত্র ২১ কিলোমিটার দূরে।

এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, বহু গ্রামবাসী অবৈধ খনিতে কয়লা উত্তোলনের কাজ করেন। তিনি বলেন, ‘ধসের পর স্থানীয় মানুষ ভেতর থেকে তিনটি দেহ বের করতে পেরেছে। তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানান। আমার আশঙ্কা ভেতরে আরো দেহ আছে। ’অবৈধ খনি থেকে কয়লা উত্তোলন এই এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা। অপরিকল্পিত খননের জেরে এলাকা যেমন অতিধসপ্রবণ হয়ে উঠছে, পাশাপাশি উন্মুক্ত খনি থেকে অবৈধভাবে কয়লা পাচারের কারণে এলাকায় অসামাজিক গতিবিধিও মাথাচাড়া দেয়। শুধু ঝাড়খন্ডই নয়, রাঢ় বাংলার খনি এলাকাতেও ভূমিধসের ঘটনা প্রায়ি চোখে পড়ে। তা নিয়ে অতীতে সরব হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। স্থানীয় বাসিন্দাদের অবশ্য অভিযোগ, প্রশাসন তৎপর হলে এসব কাজ মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু প্রশাসনেরই উদ্যোগের অভাব।