সাম্প্রতিক
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল তেলের দাম রাশিয়ায় নতুন করে ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া, দাবি জেলেনস্কির হাসিনা ও হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ঢাকার চাষের মাছে কাদা-কাদা গন্ধ হয় কেন, কী করলে গন্ধ থাকবে না? জুলাই-পরবর্তী সাংস্কৃতিক পরিসর: পরিবর্তনের ইঙ্গিত কোথায়? সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকার চুক্তি সামিরা-আজিজের, দাবি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর দেশে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, এক বছরে ৩০ বার বন্ধ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র
Skip to content

ঝাড়খন্ডে কয়লাখনি ধসে নিহত ৩

অনলাইন ডেস্ক :

ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের ধানবাদে শুক্রবার (৯ জুন) একটি অবৈধ কয়লাখনিতে ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়াও ধসের তলায় বহু মানুষের চাপা পড়ে থাকার আশঙ্কা করছে প্রশাসন। ফলে মৃতের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে এমনই জানা গেছে। ধানবাদের জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার সঞ্জীব কুমার বলেন, ‘ভারত কোকিং কোল লিমিটেডের (বিসিসিএল) উন্মুক্ত খনিতে ধস নেমেছে। আমরা একটি মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছি। একজনের মৃত্যু হয়েছে তা আমরা নিশ্চিত। আরো মৃত্যুর দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা বিসিসিএলের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছি। প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় শুক্রবার (৯ জুন) সাড়ে ১০টা নাগাদ ভোওরা কোলিয়ারি এলাকায় ধস নামে। জায়গাটি ধানবাদ শহর থেকে মাত্র ২১ কিলোমিটার দূরে।

এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, বহু গ্রামবাসী অবৈধ খনিতে কয়লা উত্তোলনের কাজ করেন। তিনি বলেন, ‘ধসের পর স্থানীয় মানুষ ভেতর থেকে তিনটি দেহ বের করতে পেরেছে। তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানান। আমার আশঙ্কা ভেতরে আরো দেহ আছে। ’অবৈধ খনি থেকে কয়লা উত্তোলন এই এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা। অপরিকল্পিত খননের জেরে এলাকা যেমন অতিধসপ্রবণ হয়ে উঠছে, পাশাপাশি উন্মুক্ত খনি থেকে অবৈধভাবে কয়লা পাচারের কারণে এলাকায় অসামাজিক গতিবিধিও মাথাচাড়া দেয়। শুধু ঝাড়খন্ডই নয়, রাঢ় বাংলার খনি এলাকাতেও ভূমিধসের ঘটনা প্রায়ি চোখে পড়ে। তা নিয়ে অতীতে সরব হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। স্থানীয় বাসিন্দাদের অবশ্য অভিযোগ, প্রশাসন তৎপর হলে এসব কাজ মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু প্রশাসনেরই উদ্যোগের অভাব।