সাম্প্রতিক
‘নাইন ইলেভেন’-যে দিনের পর বদলে গেছে মুসলিমদের সাথে আমেরিকার সম্পর্ক নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, চাপে সাধারণ মানুষ আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, দেশে বাড়ল লোডশেডিং গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল; ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ২ ভারতের সঙ্গে হাসিনার ১০১ চুক্তিতে ‘দেশের স্বার্থ’ খুঁজছে সরকার: চিফ হুইপ এইচ-১বি ভিসায় ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের উদ্যোগ ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৩ শিশুর ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন কার্যক্রম দেশে অক্টোবরে শুরু হচ্ছে স্মার্টফোন উৎপাদন, পাওয়া যাবে ২–৩ হাজার টাকায় আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধে সরকারের হস্তক্ষেপ চান কৃষক

ছবি:

অনলাইন ডেস্ক

পেঁয়াজ রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক তুলে নিয়েছে ভারত।  দেশটির রপ্তানিকারকরা ১ এপ্রিল থেকে বিনা শুল্কে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে পারবেন। বাংলাদেশে এবার পেঁয়াজের উৎপাদন ভালো। দামও কম। বর্তমান দামেই উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না বলে দাবি কৃষকের। এর মধ্যে ভারতের সিদ্ধান্ত তাদের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, এমনিতে বাজারে পেঁয়াজের দাম কম। ভারতের শুল্ক প্রত্যাহারে আমদানি বাড়লে কৃষকরা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদিও আমদানিকারক ও বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশে পেঁয়াজের দাম কম থাকা এবং ভরা মৌসুম হওয়ার কারণে এখনই পেঁয়াজ আমদানির কথা ভাবছেন না তারা। আর আমদানির সুযোগ থাকলে দেশের বাজার স্থিতিশীল থাকে। কেউ চাইলেই সহজে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াতে পারে না।

ঢাকার সবচেয়ে বড় বাজার শ্যামবাজারের পেঁয়াজ আমদানিকারক জানান, ‘এখন দেশে পেঁয়াজের দাম একদম কম। এতে শুল্ক কমলেও ভারত থেকে পেঁয়াজ এনে খুব বেশি লাভ হবে না। তবে এ পেঁয়াজের কিছু ক্রেতা রয়েছে। এ কারণে অল্প-স্বল্প আসবে।’ তিনি বলেন, ‘প্রচুর পেঁয়াজ আসার কোনো সম্ভাবনা নেই আগামী দুই মাসে। কারণ, এখন দেশে প্রচুর পেঁয়াজ আছে, এতে বাজার কমে গেলে আমদানিকারকরাও লোকসানে পড়বেন।’

শনিবার (২২ মার্চ) ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব বিভাগ পেঁয়াজের শুল্ক প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রায় দেড় বছর ধরে ন্যূনতম দর বেঁধে দেওয়াসহ পেঁয়াজ রপ্তানিতে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছিল ভারত সরকার। এবার সেখান থেকে বেরিয়ে এলো তারা। মূলত পেঁয়াজের মজুত বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

এদিকে দেশে এবার ভরা মৌসুমে পেঁয়াজের দাম অনেক কম। ফলে উৎপাদন খরচ আর বিক্রির মধ্যে বিস্তর ফারাক তৈরি হয়েছে। এতে মোটা অঙ্কের লোকসান গুনছেন চাষিরা। এর মধ্যে ভারতের পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক না থাকা তাদের আরও চিন্তিত করে তুলেছে।

ফরিদপুরের সালথা বাজারের পেঁয়াজ চাষি এনামুল জানান, ‘পেঁয়াজের দাম একদম কম। আমাদের খরচ উঠছে না। এর মধ্যে ভারতের এ সিদ্ধান্তে বাজার আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাতে বহু কৃষক পথে বসে যাবে।’

এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাহলে কৃষক কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবে। তিনি ভারত থেকে পেয়াজ আমদানী রুখতে সরকারের হস্তক্ষেপ চান’।