সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্ট তারেক রহমান ভারত সফরে আগ্রহী, তবে আগে চূড়ান্ত করতে হবে ‘অর্জনের এজেন্ডা’ ‘অ্যাটর্নি জেনারেল আইনজীবীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন’ জল্পনার অবসান, ৭ বছর পর ভারত সফরে শি জিনপিং বিলুপ্ত হলো র‌্যাব, সংসদে পাস ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বিল মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা জিতলে মার্কিনিদের ৫ হাজার ডলার দেবেন ট্রাম্প ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৪৯২ নিরপরাধ কেউ চাকরিচ্যুত হয়নি, ৮৭৯৬ বিডিআর সদস্যের পুনর্বহালের সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেসরকারি ব্যাংকের ৮২% খেলাপি ঋণ মাত্র ১০ ব্যাংকে
Skip to content

চাকরি হারালেই ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্র

এইচ-১বি ভিসায় ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের উদ্যোগ

ছবি: ইন্টারনেট

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারানোর পর নতুন কাজ বা স্পন্সর খোঁজার জন্য এইচ-১বি ভিসাধারীসহ কয়েকটি শ্রেণির বিদেশি দক্ষ কর্মীদের দেওয়া ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের প্রস্তাব করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে চাকরি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নির্দিষ্ট শ্রেণির বিদেশি কর্মীদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, চাকরি শেষ হওয়ার পর এইচ-১বি ভিসাধারী এবং নির্দিষ্ট কিছু অস্থায়ী বিদেশি কর্মীদের আর ৬০ দিনের সময় দেওয়া হবে না। চাকরি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করতে হতে পারে।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অভিবাসন কমানোর ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সর্বশেষ পদক্ষেপ এটি।

সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি কোম্পানিতে প্রভাবের আশঙ্কা

প্রস্তাবিত পরিবর্তন কার্যকর হলে সিলিকন ভ্যালির শীর্ষ তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর এর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। বিদেশি দক্ষ কর্মীদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হলে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটতে পারে বলে স্বীকার করেছে ডিএইচএস।

তবে সংস্থাটি বলছে, এসব পদে পরবর্তী সময়ে যোগ্য মার্কিন নাগরিকদের নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে। কোনো বিদেশি কর্মী চাইলে নিজ দেশে ফিরে গিয়ে নতুন করে ভিসার জন্য আবেদন করার সুযোগও পাবেন।

২০১৭ সাল থেকে চালু থাকা ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ডের আওতায় চাকরি হারানো বিদেশি কর্মীরা নতুন চাকরি বা স্পন্সর খোঁজার পাশাপাশি নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয় গুছিয়ে নেওয়ার সময় পেতেন। এর মধ্যে বাড়ি বিক্রি করা কিংবা সন্তানদের স্কুল ছাড়ানোর মতো বিষয়ও ছিল।

নতুন প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইউসি ডেভিস স্কুল অব ল-এর অধ্যাপক গ্যাব্রিয়েল চিন এবং অভিবাসন সংগঠন ‘এফডব্লিউডি.ইউএস’-এর প্রেসিডেন্ট টড শুল্টে। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত শুধু বিদেশি কর্মীদের জন্য নয়, মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও সমস্যার কারণ হতে পারে।

এইচ-১বি ভিসায় সবচেয়ে বেশি নির্ভরতা ভারত-চীনের প্রযুক্তিবিদদের

১৯৯০ সালে চালু হওয়া এইচ-১বি ভিসা মূলত উচ্চ দক্ষ বিদেশি কর্মীদের যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ দেয়। বিশেষ করে ভারত ও চীনের প্রযুক্তিবিদদের ওপর এই ভিসা ব্যবস্থার ব্যাপক নির্ভরতা রয়েছে।

মার্কিন আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি ডেলয়েট, পিডব্লিউসি, আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং এবং টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), ইনফোসিস, এইচসিএল টেক ও এলটিআইমাইন্ডট্রির মতো বৈশ্বিক কনসালটিং ও আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানও এইচ-১বি ভিসা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে।

প্রস্তাবিত নিয়মটি চূড়ান্ত করার আগে দুই মাসের জন্য সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়া হবে। এটি কার্যকর হলে এইচ-১বি ভিসার পাশাপাশি ই-১, ই-২, এল-১, ও-১, টিএন, এইচ-১বি ১ এবং ই-৩ ভিসাধারীরাও সরাসরি প্রভাবিত হবেন।

এনএনবাংলা/