সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আপিল বিভাগের রায় ৪ সেপ্টেম্বর

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামির খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের রায় আগামী ৪ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করবে আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চ এই রায়ের দিন ধার্য করেন।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের খালাসের বিরুদ্ধে করা আপিলের পঞ্চম দিনের শুনানি হয়।

এই মামলায় ২০১৮ সালে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় নিম্ন আদালত। এছাড়া, তারেক রহমানসহ ১৯ আসামিকে যাবজ্জীবন ও ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

পরে গত ১ ডিসেম্বর তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস দিয়ে রায় দেয় হাইকোর্ট। এরপর চলতি বছরের ১৯ মার্চ হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। তবে আপিল মঞ্জুর হলেও হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেনি আপিল বিভাগ।

খালাসদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের পঞ্চম দিনের শুনানি শেষে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় দলটির মহিলা-বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন প্রায় ৩০০ জন। এই ঘটনার পর মামলাগুলো দায়ের করা হয়। ওই হামলায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা অল্পের জন্য রক্ষা পান।