সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

সামিটের আজিজ খান ও তার পরিবারের রিট নাকচ, ১৯১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ বহাল

 

সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান, তার পরিবার এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ১৯১ হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

রোববার বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন দ্বৈত বেঞ্চ এ সংক্রান্ত রিট আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেয়।

দুদকের আবেদন মতে, এ হিসাবগুলোতে আজিজ খান পরিবারের ৪১ কোটি ৭৪ লাখ ৭৬০ টাকা রয়েছে। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাহমুদুল আরেফিন স্বপন। সামিট গ্রুপের পক্ষে ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান খান।

দুদকের আইনজীবী মাহমুদুল আরেফিন স্বপন বলেন, আজিজ খানদের পক্ষে রিট আবেদন করা হয়েছিল। সে আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। এখন তাদের হয় আপিল করতে হবে অথবা রিভিশন চাইতে হবে।

গেল ৯ মার্চ গোপালগঞ্জ-১ আসনের সাবেক এমপি ফারুক খানের ভাই সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান, পরিবার এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ১৯১ হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব।

দুদকের উপপরিচালক আলমগীর হোসেন আদালতে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধে চেয়ে আবেদন করেছিলেন।

আবেদনে বলা হয়, সামিট গ্রুপ এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ‘ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচারের’ অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক।

সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে ১৯১টি ব্যাংক হিসাবে জমা ৪১ কোটি ৭৪ লাখ ৭৬০ টাকা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ১৪ ধারা অনুযায়ী অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন বলে দুদক মনে করে।

এনএনবাংলা/