সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

দুর্নীতির ৪ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর আবারও কারাগারে সালমান এফ রহমান

 

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে।

আজ ( ২৮ আগস্ট) বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়ার আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে আসামিকে গ্রেপ্তার দেখান।

এদিন সালমান এফ রহমানকে কারাগার থেকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। গ্রেপ্তার দেখানো শেষে তাকে আবারও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

দুদকের এক মামলার সূত্রে জানা যায়, ‎সালমান এফ রহমানসহ ১১ জন এলসি শর্ত ভঙ্গ করে ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডের নাম সর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে ৭৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকার বিনিময়ে এলসি খুলে ড্রইং ডিজাইন না করে তা বিদেশে পাচার করে মানিলন্ডারিং করেছেন। যার ৮ বছর পার হয়ে গেলেও ব্যাংকের বকেয়া ৩৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেছেন।

‎অপর মামলায়, সালমান এফ রহমানসহ অন্যান্য আসামিরা সার্ভ কনস্ট্রাকশন এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড নামীয় ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া সাব-কন্ট্রাক্ট ও অপ্রতুল জামানতের ভিত্তিতে ৪৩৫ কোটি টাকা ওভার-ড্রাফট ঋণ অনুমোদন করিয়ে নেন। মাত্র ১৩ দিনে ৯৭টি চেকের মাধ্যমে ৪৩৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা নগদে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন এবং মানিলন্ডারিং করেন।

তৃতীয় মামলায় ‎আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনে ২০২৪ সালে দুই মেয়াদে মোট ৬১৮ কোট ৯ লাখ টাকা ওডি ঋণ বিতরণ করা হয়, যার স্থিতি ২০২৫ সালের ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত দাঁড়ায় প্রায় ৬৭৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অস্তিত্বহীন ও ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে জামানত ছাড়া এই ঋণ উত্তোলন করে আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিং করেন।

‎আরেক মামলায় আসামি জাকিয়া তাজিনের কোনো অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও ব্যাংকের চেয়ারম্যানের স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা কাজে লাগিয়ে ইলিশ প্রসেসিং কারখানার নামে তার প্রতিষ্ঠানে ১৪৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা ঋণ মঞ্জুর করা হয়। মঞ্জুরিপত্রের শর্ত ভঙ্গ করে মর্টগেজ ছাড়াই ঋণ বিতরণ, ডেফারেল পিরিয়ড বৃদ্ধি এবং উৎপাদনে না গিয়ে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ছাড় করা হয়। এগ্রো ইনডেক্স লিমিটেডের অনুকূলে ছাড়কৃত ঋণের মধ্যে ১১৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করা হয়।

এনএনবাংলা/