সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

২০০ কোটি টাকা পাচারে অভিযুক্ত আলমগীর কবির-রায়হান কবিরের দেশত্যাগের চেষ্টা

 

সাউথইস্ট ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আলমগীর কবির ও তার ছেলে সাউথইস্ট ব্যাংকের সাবেক পরিচালক রায়হান কবির যে কোনো সময় বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এক পরিদর্শনে তাদের বিরুদ্ধে প্রায় ২০০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হওয়ার তথ্য উঠে আসায় তারা দেশত্যাগে মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে জানা গেছে। তারা সিঙ্গাপুর পালিয়ে যেতে পারেন বলে জানিয়েছে বিএফআইইউ, সাউথইস্ট ব্যাংক ও দুদকের একাধিক সূত্র।

সম্প্রতি আলমগীর কবির ও রায়হান কবির চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে পালিয়ে বিদেশে যেতে চাইলেও তারা সফল হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে অর্থপাচারসহ বেশকিছু অভিযোগে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এর আগে গত ৪ আগস্ট আলমগীর কবির ও তার ছেলে রায়হান কবিরের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, বিদেশি নাগরিকত্ব গোপন, অর্থ পাচার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যাংকের শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ থাকায় তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

এর মধ্যে দুদক তাদের একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করলেও তারা হাজির হননি। বর্তমানে আলমগীর কবির ও তার ছেলে রায়হান কবিরের ব্যবহৃত মোবাইল প্রায়ই বন্ধ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এক পরিদর্শনে বাংলাদেশ থেকে ১৯৪ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ উঠেছে রায়য়ান কবিরের বিরুদ্ধে। দেশবন্ধু গ্রুপ ও জারা জামান টেকনোলজির নামে এলসি খুলে এ অর্থ বিদেশে নেওয়া হয়। অর্থ পাচারের পাশাপাশি রায়য়ান কবিরের শ্বশুরের প্রতিষ্ঠানের ঋণ স্থিতির তুলনায় ১৩ কোটি টাকা বেশি সুদ মওকুফ দিয়ে আত্মসাৎ, ১০ টাকার শেয়ার ২৫ টাকায় কেনাসহ নানা জালিয়াতির তথ্যও পাওয়া গেছে।

আলমগীর কবিরের ছেলে রায়য়ান কবির এবং তার পুত্রবধূ নুসরাত নাহারের নামে ২০১২ সালে সিঙ্গাপুরে ‘আর অ্যান্ড এন হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেড’ কোম্পানি খোলা হয়। কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১৪ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার। দেশ থেকে বৈধ উপায়ে এ অর্থ নেওয়া হয়নি। অথচ ব্যাংক ওই কোম্পানির অনুকূলে বিপুল অঙ্কের এলসি খুলেছে। এর মধ্যে ১৭টি এলসির বিপরীতে এক কোটি ৫৯ লাখ ১১ হাজার ৫৮৪ ডলার পাচার হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিএফআইইউ।

তাদের দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে দায়িত্বরত একজন কর্মকর্তা বলেন, আলমগীর কবির ও রায়হান কবিরের বিরুদ্ধে আদালতের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) বিশেষ পুলিশ সুপার (ইমিগ্রেশন অপারেশনস) এর কড়া নির্দেশনা রয়েছে তারা যেন দেশত্যাগ করতে না পারে। তাদের কোনো ভাবেই দেশত্যাগ করতে দেওয়া হবে না।

এনএনবাংলা/