সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

জুলাই সনদ স্বাক্ষরের আগে সংঘর্ষের ঘটনায় ৯০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 

রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষরকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ‘জুলাই যোদ্ধা’ ব্যানারে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলা দায়ের হয়েছে শেরেবাংলা নগর থানায়।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

থানা সূত্রে জানা যায়, চারটি মামলার সবগুলোর বাদী পুলিশ। এর মধ্যে একটি মামলার বাদী একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট, আর বাকি তিনটি মামলার বাদী শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ সদস্যরা। মামলাগুলোর সব আসামি অজ্ঞাতনামা, যাদের সংখ্যা আনুমানিক ৮০০ থেকে ৯০০ জন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তার নাম রিমন চন্দ্র বর্মন।

এর আগে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) ‘জুলাই যোদ্ধা’ ব্যানারে একদল আন্দোলনকারী নিজেদের তিনটি দাবি ‘জুলাই সনদে’ অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিক্ষোভ শুরু করেন। দুপুর দেড়টার দিকে সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেট এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আন্দোলনকারীদের একটি অংশ আগে থেকেই সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান করছিল। পরে ভেতরে থাকা অংশটি অনুষ্ঠানস্থলে যোগ দিলে বাইরে থাকা অংশটি ১২ নম্বর গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। কিছুক্ষণ পর ভেতরে থাকা দলটি বাইরে বেরিয়ে আসে এবং উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষ চলাকালে আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোতল ও চেয়ার নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। অপরদিকে, আন্দোলনকারীরা সড়কে আগুন ধরিয়ে ইট-পাটকেল ছোড়ে এবং পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে।

একাধিক দফা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন বলে জানা গেছে।

এনএনবাংলা/