সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না: জামায়াত আমির

 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া কোনো জাতীয় নির্বাচন হবে না। তিনি মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর পল্টন মোড়ে জামায়াতসহ ৮ দলের সমাবেশে এ মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা জুলাই বিপ্লবকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন, তাদের জন্য ২৬ ডিসেম্বর কোনো নির্বাচন নেই। জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করতে হবে। যারা জুলাইয়ের চেতনার প্রতি সম্মান রাখতে ব্যর্থ, তারা কীভাবে মানুষের মতকে সম্মান জানাবে?

তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব। জুলাই সনদে জনগণের দাবির প্রতিফলন ঘটেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণের দাবি পূরণ হবে না, ততক্ষণ আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম মিয়া পরওয়ার বলেন, সাংবিধানিক সংস্কারগুলোর আইনি ভিত্তি কেবল গণভোটের মাধ্যমে সম্ভব। অন্যথায় জাতীয় নির্বাচনের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে গণভোটের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি প্রদানসহ পাঁচ দফা গণদাবি বাস্তবায়ন করা।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “কেউ কেউ বলছেন সংবিধানে গণভোটের বিধান নেই। তাদের জানাই, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবিধান সংশোধন করে গণভোটের ধারা বাতিল করেছিলেন শেখ হাসিনা। তাই যারা সংবিধানে গণভোট নেই বলে বলেন, তারা কি সেই সংস্কারের পক্ষেই কথা বলছেন?

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংবিধান অনুযায়ী পাঁচ বছর পরপর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৪ সালে নির্বাচন হলেও, সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী নির্বাচন হবে ২০২৯ সালে। এটি যথাযথ সময়ে নিশ্চিত করতে হবে।

সমাবেশে জামায়াত ছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এনএনবাংলা/