সাম্প্রতিক
আসিফকে ঢাকা-১০ আসন দিতে জামায়াত আমিরকে ফোন দিয়েছিলেন ড. ইউনূস: রাশেদ শাহজালালে উড়োজাহাজের আসনের নিচে মিললো ২০ কোটি টাকার স্বর্ণের বার জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট সড়কে হকার বসতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হরমুজ প্রণালীর নাম ‘ট্রাম্প প্রণালী’ করার প্রস্তাব ট্রাম্পের ফের ঊর্ধ্বমুখী সোনার দাম জামালপুরে বাস শ্রমিকদের কর্মবিরতি, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বের তারিখ ঘোষণা সুশান্ত সিং রাজপুতের সাবেক ব্যবস্থাপক দিশার মৃত্যুতে নতুন মোড় আজ সিরিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল
Skip to content

আসিফকে ঢাকা-১০ আসন দিতে জামায়াত আমিরকে ফোন দিয়েছিলেন ড. ইউনূস: রাশেদ

ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার জন্য ঢাকা–১০ আসন ছেড়ে দিতে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করেছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

বুধবার (২ সেম্পম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। আসনটি তখন জামায়াত না ছাড়ায় দলটিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর এই সহকারী।

পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী লিখেছেন, “আসিফ মাহমুদ কোন দুর্নীতি করে নাই! শুধু জিজ্ঞেস করেন জামায়াতের আমির কেন তাকে ঢাকা-১০ আসন ছাড়ে নাই? নাহিদ ইসলাম এবিষয়ে কারও কারও কাছে আক্ষেপ করে বলেছে, জামায়াতের আমির অনেক দরকষাকষির পরেও আসিফ মাহমুদের আসনটা ছাড়েনি! নাহিদ ইসলামের ভাষায় জামায়াতের আমিরের মন্তব্য এমন ছিল, আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ বা বিতর্কের দায় জামায়াত নিতে রাজি হয়নি। এমনকি আসিফ মাহমুদের আসনের জন্য ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াতের আমিরকে কল করলে জামায়াতের আমির স্পষ্ট জানিয়ে দেন, প্রয়োজনে আরও ২-৩ টা আসন বেশি ছাড়বো, কিন্তু আসিফ মাহমুদের বিষয়ে আপনি অনুরোধ করিয়েন না!”

তিনি আরো লিখেছেন, “আসিফ মাহমুদ কোন দুর্নীতি করে নাই! শুধু জিজ্ঞেস করেন জামায়াতের আমির কেন তাকে ঢাকা-১০ আসন ছাড়ে নাই?”

রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, ব্যাপক রাজনৈতিক দরকষাকষি সত্ত্বেও দুর্নীতির বিভিন্ন বিতর্কের কারণে আসিফ মাহমুদের জন্য উক্ত আসনটি ছাড়তে রাজি হননি জামায়াতের আমির। তিনি দাবি করেন, সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের বরাতে জানা গেছে যে অন্য একাধিক আসনে সমঝোতায় প্রস্তুত থাকলেও আসিফ মাহমুদের বিতর্কিত অবস্থানের দায়ভার জামায়াত নেবে না বলে ড. ইউনূসকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী লিখেছেন, আসিফ মাহমুদ তো ওমরাহ করে এসেছে, তার উচিত ছিল অল্প বয়সের ভুলের জন্য দুঃখপ্রকাশ করা। আমি অন্তত তার এই ভুলকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতাম। কিন্তু বিরোধিতার কারণে, বিরোধীদলের সবাই আসিফ মাহমুদের পক্ষে অবস্থান করলেও, আমার কাছে যতোটুকু তথ্য আছে, তাতে আমি সবসময় বলে যাব, আসিফ মাহমুদ ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছিল!

এনএনবাংলা/এফএস