সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

সাঈদ খোকন ও তার বোনের বিরুদ্ধে অর্থপাচার মামলা অনুমোদন দিল দুদক

ফাইল ফটো

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, তার বোন শাহানা হানিফ এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মো. রাজু আহমেদের বিরুদ্ধে ৫৪ কোটি টাকার অর্থপাচারের মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন। তিনি জানান, অনুসন্ধানে প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার পর কমিশন মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাঈদ খোকন ও শাহানা হানিফ তাদের প্রতিষ্ঠান ‘সাইদ খোকন প্রোপার্টিজ লিমিটেড’-এর ব্যাংক হিসাবগুলো ব্যবহার করে ‘লেয়ারিং’ প্রক্রিয়ায় অর্থ স্থানান্তর করেন। সিটি ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের মোট সাতটি হিসাবের মাধ্যমে ৫৪ কোটি ৭৮ লাখ ৮৪ হাজার ৩০৪ টাকা লেনদেন হয়।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, শাহানা হানিফ ব্যাংক হিসাব খোলার সময় নিজের পেশা ও আয়-সম্পর্কিত ভুল তথ্য দেন। তখন মেয়র হিসেবে দায়িত্বে থাকা সাঈদ খোকন তার সঙ্গে যোগসাজশে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন বলে দুদকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিটি ব্যাংকের বনানী লেকভিউ শাখা এবং এক্সিম ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের বনানী শাখায় শাহানা হানিফ ও সাইদ খোকন প্রোপার্টিজ লিমিটেডের নামে একাধিক হিসাব খোলা হয়। এসব হিসাবের মাধ্যমে নিয়মিত অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং সংঘটিত হয় বলে দুদকের অভিযোগ।

দুদকের মতে, এই তিনজন দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অপরাধ করেছেন।

এনএনবাংলা/