সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানিতে বড় বাধা দালাল চক্র: প্রধান উপদেষ্টা

 

বিদেশে জনশক্তি পাঠানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দালালদের প্রতারণার বিষয়টি তুলে ধরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস–২০২৫ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটক শ্রমিকদের মুক্তির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ওই শ্রমিকরা বহু কষ্ট সহ্য করে বিদেশে গিয়েছিলেন। তারা জানতেন আইন ভাঙলে কী শাস্তি হতে পারে, তবুও দেশের স্বার্থে তারা সেই ঝুঁকি নিয়েছেন। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হলে তারা শ্রমিকদের মুক্তি দেয়।

ড. ইউনূস বলেন, প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশ সফরে আসেন। সেই সময় তিনি জানতে পারেন, মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে প্রায় ১৭ হাজার শ্রমিক মালয়েশিয়ায় যেতে পারেননি, যদিও তারা সব ধরনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিলেন। বিষয়টি আনোয়ার ইব্রাহিমকে জানালে তিনি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে শ্রমিকদের নেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে মালয়েশিয়া সফরে গিয়ে দেখা যায়, পুরো প্রক্রিয়াটি দালাল ও সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে, যেখানে সরকারের ভূমিকা অনেকটাই সীমিত। বিদেশে যেতে আগ্রহীদের জন্য এটিই সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বাস্তবতা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জাপান সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাপানের পক্ষ থেকে শ্রমিকের চাহিদার কথা জানানো হয়। বাংলাদেশ তখন জানায়, তাদের কাছে প্রয়োজনীয় জনবল প্রস্তুত রয়েছে। কতজন শ্রমিক প্রয়োজন জানতে চাইলে তারা পরে জানাবে বলে জানায়। একই সঙ্গে জানা যায়, জাপান ইতোমধ্যে নেপাল থেকে সাত হাজার শ্রমিক নিয়েছে, অথচ বাংলাদেশ থেকে নিয়েছে মাত্র দুই হাজার। বিষয়টি বিস্ময়কর উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, নেপাল থেকে বেশি নেওয়া হলেও বাংলাদেশ থেকে কম কেন। জবাবে জাপান জানতে চায়, বাংলাদেশ কতজন দিতে পারবে। তিনি জানান, ভাষা শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে এক লাখ শ্রমিক পাঠানো সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, জাপানের বহু শহরে ট্যাক্সি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে চালকের অভাবে। দীর্ঘ এলাকা জুড়ে খালি জমি পড়ে আছে, জনশূন্য হয়ে পড়ছে গ্রামাঞ্চল। এসব এলাকায় পরিবহন ব্যবস্থা চালু করা ও কৃষিকাজের জন্য তারা বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এনএনবাংলা/