সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ওবায়দুল কাদের

ফাইল ফটো

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। তাকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।

বার্ধক্যজনিত একাধিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন ওবায়দুল কাদের। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন এবং কলকাতার নিউ টাউনে নিজ বাসায় অক্সিজেন সাপোর্টে চিকিৎসা চলছিল।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) হঠাৎ করেই তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। প্রায় সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে দ্রুত কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে ভর্তি করার পরপরই তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, চিকিৎসায় তিনি সাড়া দিচ্ছেন। তবে তার অবস্থা এখনো বেশ সংকটজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

গত বছরের জুন মাসে বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওবায়দুল কাদের নিজেকে এখনো কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করেন। সে সময় তিনি কলকাতায় অবস্থান করছেন বলেও জানান।

ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর টানা তিন মাস তিনি বাসা বদল করে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দেশ ছাড়েন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের দমননীতির জন্য ক্ষমা চাওয়া প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে ফিরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পরিবেশ তৈরি হলে তখন ভুল স্বীকার, অনুশোচনা বা ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

এনএনবাংলা/