সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

হাঁস প্রতীক পেলেন রুমিন ফারহানা

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ‘হাঁস’ প্রতীক পেয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচন কার্যালয় থেকে তিনি প্রতীক সংগ্রহ করেন।

এদিন দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের মোট ৪৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

প্রতীক পাওয়ার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, তিনি তার ভোটার ও কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন। তাদের ভালোবাসা ও সমর্থনেই তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন বলে জানান। তিনি বলেন, তাকে দেখলে এলাকার ছোট ছোট শিশুরা আনন্দে চিৎকার করে বলে—‘আমাদের হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা’। তাই হাঁস প্রতীক শুধু তার একার নয়, এটি তার ভোটারদেরও প্রতীক।

নিজের পালিত হাঁস চুরির ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, একসময় তিনি হাঁস পালন করতেন এবং হাঁস চুরি হওয়ার পর চোরদের বিরুদ্ধে মামলা করে জেল পর্যন্ত খাটিয়েছেন। একইভাবে কেউ যদি তার নির্বাচনী হাঁস প্রতীক নিয়ে কোনো অনৈতিক চেষ্টা করে, তবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

নিজেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ভোটাররা যদি তাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে এলাকার মানুষ যেভাবে চাইবেন, যেভাবে বলবেন, সেভাবেই উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করবেন তিনি।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। ফলে এসব আসনে চূড়ান্তভাবে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮ জনে।

এর মধ্যে দলীয় প্রার্থীরা নিজ নিজ দলের নির্ধারিত প্রতীক পেয়েছেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি তার দলীয় প্রতীক ‘মাথাল’ পেয়েছেন।

এনএনবাংলা/পিএইচ