সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

সরকার-প্রশাসন নির্দিষ্ট দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে, শেরপুরের ঘটনা সেটারই ফল: হাসনাত

 

শেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকার ও প্রশাসন একটি নির্দিষ্ট দলকে সুবিধা দিতে গিয়ে পক্ষপাতমূলক ভূমিকা রাখছে, আর শেরপুরের ঘটনাটি তারই ফল।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, জুলাই–আগস্টে দুই হাজার মানুষের শহীদ হওয়ার মধ্য দিয়ে ভয়ংকর স্বৈরতন্ত্রের পতনের পর নতুন করে রাজনীতি করতে গিয়ে কাউকে প্রাণ হারাতে হবে—এমন বাস্তবতা কল্পনাতীত।

হত্যার দায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই ঘটনার দায় শুধু বিএনপির নয়, সরকারকেও তা নিতে হবে। বিশেষ করে তারেক রহমান দেশে ফেরার পর সরকার ও প্রশাসন যেভাবে একটি নির্দিষ্ট দলকে সর্বক্ষেত্রে সুবিধা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে, শেরপুরের ঘটনা তারই পরিণতি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত দেড় বছরে বিএনপি নিজেদের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে বহু মানুষের মৃত্যু ঘটিয়েছে। এ বিষয়ে বারবার সতর্ক করা হলেও দলটি তা উপেক্ষা করেছে। তার মতে, বিএনপি যদি সময়মতো সতর্কবার্তা শুনত, তাহলে মাওলানা রেজাউল করিমকে এভাবে প্রাণ হারাতে হতো না।

বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কথা বলছেন, ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ বলছেন। কিন্তু নিজের দলের নেতাকর্মীদের হাতে মানুষ খুন হওয়া ঠেকানোর জন্য তার পরিকল্পনা কী—তা স্পষ্ট নয়।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি সাধারণ মানুষ বিএনপি নেতাকর্মীদের হাত থেকেই নিরাপদ না থাকে, তাহলে সেই ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে তারা আসলে কী করবে?

এনএনবাংলা/পিএইচ