সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি

 

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদকে নিয়ে অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালতে রমনা থানা বিএনপির বর্তমান সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন। শুনানি শেষে আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আসামি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম আমির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে আদালতে মামলার আবেদন জমা দেওয়া হয়। আবেদন শুনানি শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিপুল ভোটে মির্জা আব্বাসের কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনের সময় থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে আসছেন। নির্বাচনে পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমে তিনি আরও বেশি করে মিথ্যা ও মানহানিকর মন্তব্য এবং হুমকি দিতে থাকেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৫ মার্চ বাদী ফেসবুকে দেখতে পান যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মানহানিকর বক্তব্য কয়েকটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে তিনি মির্জা আব্বাসকে ‘বাংলাদেশ ক্রিমিনাল র‍্যাংকিংয়ে নাম্বার ওয়ান গডফাদার’ বলে মন্তব্য করেন, যা বাদীপক্ষের দাবি অনুযায়ী অত্যন্ত মানহানিকর ও নিন্দনীয়।

মামলায় বলা হয়েছে, এসব বক্তব্য ফেসবুক ও ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় মির্জা আব্বাসের সম্মানহানি ঘটছে। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে বারবার মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য প্রচার করে বাদী ও মির্জা আব্বাসের সুনাম এবং রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা সামাজিক শিষ্টাচার ও সভ্যতার রীতিনীতির পরিপন্থী।

এনএনবাংলা/পিএইচ