সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ঈদের আগে বেড়েই চলছে মুরগির দাম, জমে উঠেছে সেমাই-চিনির বাজার

 

ঈদুল ফিতরের আগেই উত্তাপ ছড়াচ্ছে মুরগির বাজার। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ২৫ থেকে ৩৫ টাকা এবং সোনালি মুরগির দাম প্রায় ২০ টাকা বেড়েছে। ডিমের ডজনেও বেড়েছে পাঁচ থেকে ১০ টাকা। সংকটে থাকা ভোজ্যতেলের বাজারে সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। অন্যদিকে ঈদকে ঘিরে সেমাই ও চিনির বিক্রি জমে উঠেছে। তবে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।

বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর, আগারগাঁও কাঁচাবাজার ও রামপুরা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ছোট ব্যবসায়ীরা বলছেন, মুরগির সরবরাহে তেমন কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু রোজার শেষের দিকে এসে চাহিদা বেড়ে গেছে। ফলে খামার ও পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারেও। অন্যদিকে অনেক ক্রেতা ঈদের সময়ের ভিড় এড়াতে আগেভাগেই সেমাই, চিনি ও প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কিনে রাখছেন। এতে এসব পণ্যের বিক্রি বেড়েছে।

রোজা শুরুর আগের দিন ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে। এরপর এক সপ্তাহের মধ্যে দাম কমে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায় নেমে আসে। তবে পরে আবার বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭৫ থেকে ১৮৫ টাকা। সেই হিসাবে এক সপ্তাহে দাম বেড়েছে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা।

একইভাবে সোনালি জাতের মুরগির দামও বেড়েছে। গতকাল এসব মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। পাশাপাশি ডিমের দামও বেড়েছে। গত সপ্তাহে ফার্মের বাদামি ডিমের ডজন ছিল ১০০ থেকে ১০৫ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা দরে।

মালিবাগ কাঁচাবাজারের মুরগি বিক্রেতা লতিফ জানান, প্রতি বছরই ঈদের কয়েকদিন আগে মুরগির দাম বাড়ে। তবে এবার পাইকারি বাজারে ১০ রোজার পর থেকেই দাম বাড়তে শুরু করেছে। ঈদের আগে চাহিদা আরও বাড়বে বলে তিনি মনে করেন। ফলে দাম কমার সম্ভাবনা কম।

কয়েকদিন ধরে বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট দেখা গেলেও এখন সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। খোলা ও বোতলজাত উভয় ধরনের তেলই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। তবে সংকটের সময় লিটারে চার থেকে সাত টাকা বাড়া দাম এখনও বহাল রয়েছে।

ঈদের এখনও ৮ থেকে ৯ দিন বাকি থাকলেও সেমাই ও চিনির দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই পাওয়া যাচ্ছে। খোলা লাচ্ছা সেমাই কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা দরে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ছোট প্যাকেটজাত লাচ্ছা সেমাই ৪৫ থেকে ৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলা সেমাই নামে পরিচিত সাধারণ মানের সেমাই বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে। চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়।

এদিকে সবজির বাজারে কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বর্তমানে বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, যা রোজার শুরুতে ছিল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। এছাড়া উচ্ছে ৭০ থেকে ৮০, শিম ৪৫ থেকে ৫০, গাজর ৪০ থেকে ৫০, চিচিঙ্গা ৭০ থেকে ৮০, শসা ৪০ থেকে ৫০ এবং আলু ২০ থেকে ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম আগের মতোই ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা কেজি রয়েছে।

এনএনবাংলা/