সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

আগামীকালের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকলে আন্দোলনে নামবে ১১ দল

 

আগামীকাল রোববার (১৫ মার্চ) এর মধ্যে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’–এর অধিবেশন আহ্বান না করা হলে কঠোর আন্দোলনের পথে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের জন্য নির্ধারিত ৩০ দিনের সময়সীমা আগামীকাল শেষ হচ্ছে। পঞ্জিকা অনুযায়ী এই সময়ের মধ্যে সরকার যদি পরিষদের অধিবেশন ডাকার উদ্যোগ না নেয়, তাহলে সরকারকে জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিবেশন আহ্বানের উদ্যোগ না নেওয়া হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে ১১ দলীয় ঐক্য। খুব শিগগিরই শীর্ষ নেতাদের বৈঠক ডেকে সেই আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

আন্দোলনের রূপরেখা নির্ধারণের জন্য আগামী ২৮ মার্চ শীর্ষ নেতৃবৃন্দের একটি বৈঠক করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ওই বৈঠক থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে উল্লেখ করেন হামিদুর রহমান আযাদ।

সংবাদ সম্মেলনে সরকার গঠনকারী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এরও সমালোচনা করেন তিনি। তার অভিযোগ, সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত অন্তর্বর্তী কমিশনে অংশ নেওয়া এবং জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার পরও একই দিনে গণভোট বা ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের দাবি তুলেছিল দলটি। পরে বিভিন্ন জনসভায় জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেও সরকার গঠনের পর তারা সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে। তার মতে, এটি জাতির সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা বা বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।

এছাড়া বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগকে তিনি ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর নতুন ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেন। প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল ও দলীয়করণের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পছন্দ না হওয়ায় দক্ষ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং দলীয় স্বার্থে অযোগ্যদের বসানো হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করারও দাবি জানান তিনি।

এনএনবাংলা/পিএইচ