সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ঈদের আগে মাংসের দামে আগুন, চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত

 

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সারা দেশে যখন শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন মানুষ, ঠিক তখনই মাংসের বাজারে দেখা দিয়েছে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। চাহিদা বৃদ্ধির সুযোগে গরু, খাসি ও মুরগির মাংসের দাম বেড়ে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও ৭৮০ টাকা থাকলেও বেশিরভাগ দোকানে ৮৫০ টাকাই নেওয়া হচ্ছে। কয়েকদিন আগেও যে দামে কিছুটা স্বস্তি ছিল, ঈদকে সামনে রেখে তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

মুরগির বাজারেও একই চিত্র দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগি ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আগে ছিল ২১০ টাক প্রতি কেজি। সোনালি মুরগি দাম বেড়ে আজ বিক্রি হচ্ছে ৩৮০–৪২০ টাকা। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

এদিকে, ডিমের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। আগে প্রতি ডজন ছিল ১১০–১২০ টাকা। এখন বিক্রি হচ্ছে ১০০–১১০ টাকা। তবে মাংসের উচ্চমূল্যের কারণে এই স্বস্তি খুব একটা প্রভাব ফেলছে না।

ক্রেতাদের অভিযোগ, ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা বাড়তি চাহিদার সুযোগ নিচ্ছেন। নিয়মিত বাজার তদারকি না থাকায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়ছে।একজন ক্রেতা বলেন, “ঈদের আনন্দ এখন বাজেটের ভেতর আটকে গেছে। সবকিছু হিসাব করে কিনতে হচ্ছে।”

মাংস বিক্রেতাদের দাবি, খামার পর্যায়ে গরু ও মুরগির দাম বাড়ায় তাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এক বিক্রেতা জানান, “গরু কিনতেই এখন অনেক খরচ। ৮৫০ টাকার নিচে বিক্রি করলে লাভ থাকে না।”

অন্যদিকে মুরগি বিক্রেতা হাকিম বলেন, “ব্রয়লারে দাম বেশি বাড়েনি, কিন্তু সোনালির চাহিদা বেশি—তাই দাম বেড়েছে।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্যকর বাজার তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা না এলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

ঈদ মানেই আনন্দ, আপ্যায়ন আর পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। কিন্তু মাংসের বাড়তি দামে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সেই আনন্দ এখন অনেকটাই সীমিত হয়ে যাচ্ছে।

এনএনবাংলা/