সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দৌড়ে তারকা শিল্পীরা

 

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেতে বিনোদন অঙ্গনের কয়েকজন পরিচিত তারকা জোরালো তৎপরতা শুরু করেছেন। এই আসনগুলোতে মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন খ্যাতিমান শিল্পী বেবী নাজনীন, কনকচাঁপা, দিলরুবা খান, রিজিয়া পারভীন, দিঠি আনোয়ার এবং ফারহানা চৌধুরীসহ ছয়জন বিশিষ্ট শিল্পী।

ইতোমধ্যে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই তারকাদের পাশাপাশি দলের নেত্রী, সাবেক ছাত্রনেত্রীসহ সাত শতাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী তাদের আবেদন জমা দিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা মোট ৫০টি। প্রতি ছয়জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি করে নারী আসন নির্ধারিত হয়। সেই হিসাব অনুযায়ী বিএনপি জোট পাবে ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের জন্য থাকবে একটি সংরক্ষিত আসন।

জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে দুই হাজার টাকা এবং জমা দেওয়ার সময় ৫০ হাজার টাকা জামানত প্রদান করতে হচ্ছে।

তারকাদের মধ্যে বেবী নাজনীন নীলফামারী-৪, কনকচাঁপা সিরাজগঞ্জ-১, দিলরুবা খান জয়পুরহাট-২, রিজিয়া পারভীন কিশোরগঞ্জ, দিঠি আনোয়ার সিলেট ও কুমিল্লা এবং নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী ময়মনসিংহ-১১ আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তাদের এই অংশগ্রহণ রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ত্যাগ, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও জনপ্রিয়তার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা নির্ধারণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মনোনয়ন নিশ্চিত করতে প্রার্থীরা নিজেদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

মনোনয়ন প্রসঙ্গে নিজেদের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট তারকারা। বেবী নাজনীন বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে তরুণ প্রজন্মকে নতুন বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছেন, সেখানে তিনি একা পরিশ্রম করলে হবে না। তার সঙ্গে আদর্শিকভাবে কাজ করাই তার লক্ষ্য।

অন্যদিকে সঙ্গীতশিল্পী কনকচাঁপা বলেন, বিএনপিতে যোগদানের পর তিনি এক ধরনের অবরুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ছিলেন এবং দীর্ঘদিন দেশের মাটিতে গান করতে পারেননি। তার মতে, শিল্পীর কণ্ঠরোধ করা হলে তা এক ধরনের বন্দিত্বের শামিল। তিনি জানান, সারা জীবন অসহায় ও বৃদ্ধ মানুষের জন্য কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতে বৃহত্তর পরিসরে সেই কাজ চালিয়ে যেতে চান।

রিজিয়া পারভীন জানান, সংস্কৃতি অঙ্গনের উন্নয়নে তিনি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন এবং শিল্পীদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করতে চান। একই সঙ্গে ভিন্ন মতাদর্শের কারণে কোনো শিল্পী যেন শিল্পচর্চা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়েও তিনি গুরুত্ব দেবেন।

দিলরুবা খান বলেন, দল শেষ পর্যন্ত যোগ্য ও নিবেদিতপ্রাণদেরই নির্বাচিত করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তার নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, যা সরকারে থেকে বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বই নেবে।

জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী জানান, তিনি পারিবারিকভাবেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তার বাবা ময়মনসিংহের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ছিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক আমান উল্লাহ চৌধুরী। পারিবারিক রাজনৈতিক আদর্শ এবং মানুষের সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী হয়েছেন।

এনএনবাংলা/পিএইচ