সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

এপ্রিলে ভারত থেকে আসছে ২৫ হাজার টন ডিজেল

 

এপ্রিল মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে মোট ২৫ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত ডিজেল আমদানি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে গত শুক্রবার মধ্যরাতে ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছেছে।

এই ডিজেল আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে পদ্মা অয়েল পিএলসি’র পার্বতীপুর ডিপোতে সরবরাহ করা হচ্ছে। খবর বাসস-এর।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ম্যানেজার (অপারেশন) কাজী মো. রবিউল আলম জানান, এপ্রিল মাসে মোট ২৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ৮ হাজার টন পৌঁছেছে এবং আগামীকাল আরও ৫ হাজার টন ডিজেল পাম্পিং শুরু হবে। পাম্পিং শুরু হলে ৪/৫ দিনের মধ্যে ৫ হাজার টনের পুরো চালান পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভারত থেকে পরিশোধিত ডিজেল আমদানি একটি চলমান প্রক্রিয়া। পাম্পিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে পর্যায়ক্রমে পুরো চালান দেশে পৌঁছাবে এবং পরবর্তী পাম্পিং দ্রুত শুরু করা হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এপ্রিল মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ ২৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে পৌঁছাবে।

রবিউল আলম জানান, বর্তমানে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থাও স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে কোনো ধরনের সংকটের আশঙ্কা নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৫ হাজার টন আসার পর পরবর্তী দুই ধাপে ৭ হাজার ও ৫ হাজার টন করে ডিজেল আমদানি করা হবে।

উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে পার্বতীপুর ডিপো দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নতুন এই আমদানির ফলে জ্বালানির সরবরাহ পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া, ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানির ফলে পরিবহন ব্যয় হ্রাস পাচ্ছে। পাশাপাশি সরবরাহে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আমদানির পরিমাণ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ১১ ও ২৩ মার্চ দুই দফায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৫ হাজার টন করে ১০ হাজার মেট্রিক টন এবং ১ এপ্রিল আরও ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে এসেছে। এভাবে মার্চ মাসে তিন দফায় ১৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এপ্রিল মাসে ২৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া চলছে।

এনএনবাংলা/