সাম্প্রতিক
একনেকে ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় আড়াই লাখ কোটি টাকা রামপালের ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ: বাড়ছে লোডশেডিং, এখনো পৌঁছায়নি ভারতীয় প্রকৌশলী ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পাচ্ছে ট্রাম্প আনিসুলের ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, ৭৩৭ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন আবুল বারকাতের দুই ফ্ল্যাট-গাড়িসহ সম্পদ জব্দ, ১৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ জাফর ইকবাল ও মাকসুদ কামালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল: ওসির পর এবার ডিসি প্রত্যাহার ১৮ দিন পর ব্যাগ-মোবাইলসহ ‘আসল আসামি’ ধরার দাবি করল ডিবি একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে আগস্টে নতুন রেকর্ড
Skip to content

৩০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ,রৌমারীতে জিনজিরাম নদীর ওপর  স্থায়ী  ব্রিজ নির্মাণের দাবি

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার পূর্ব চর ইছাকুড়ি এলাকায় জিনজিরাম নদীর ওপর  একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের। অনেক কষ্টে পার হন এখানকার মানুষজন। তাই দ্রুত স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে  মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসীরা।

শনিবার (২ মে) দুপুরের দিকে উপজেলার মির্জাপাড়া ও গোলাগ্রাম জকির মোড়ের পূর্ব পাশে জিনজিরাম নদীর তীরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।এতে চান্দার চর, ফুলবাড়ি, গোয়ালগ্রাম, পূর্ব চর ইছাকুড়িসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।স্থানীয়দের দাবি, এই অঞ্চলে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের বসবাস এবং প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ এই পথ ব্যবহার করে চলাচল করেন। ব্রিজের অভাবে এখানকার হাজার হাজার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি রয়েছেন।বক্তারা জানান, জিনজিরাম নদীর ওপর একটি স্থায়ী ব্রিজ না থাকায় বছরের পর বছর ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। বর্ষা মৌসুমে নৌকাই একমাত্র ভরসা, আর শুকনো মৌসুমে

গ্রামবাসীর নিজ উদ্যোগে নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। বিকল্প কোনো সড়ক ব্যবস্থা না থাকায় জরুরি রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।এসময় বক্তব্য দেন, ফুলবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইদুর রহমান, রৌমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সৈয়দ আলী, এলাকাবাসীর প্রতিনিধি আসাদুল হক ও আরিফুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

সহকারী শিক্ষক  সাইদুর রহমান বলেন, “স্বাধীনতার এত বছর পরও একটি ব্রিজের অভাবে আমরা পিছিয়ে আছি। আমাদের সন্তানদের শিক্ষা, কৃষকের উৎপাদিত ফসল পরিবহন এবং রোগীদের চিকিৎসা, সবকিছুই এই নদীর কারণে ব্যাহত হচ্ছে। একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের জীবনমান বদলে যাবে।