সাম্প্রতিক
মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে পোশাকশ্রমিকদের সংঘর্ষ, গাড়িতে আগুন জেন-জি বিক্ষোভে আবার উত্তাল ইউরোপ: ৪ দেশে ব্যাপক সংঘর্ষ, ধরপাকড় ও লুটপাট শ্রমিক অসন্তোষে ৩১৮ পোশাক কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক: বিজিএমইএ তীব্র গরমে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ১৭.৫ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য আয় হারিয়েছে চার দিন বন্ধ থাকবে সামিটের এলএনজি টার্মিনাল, বাড়তে পারে গ্যাস সংকট সাজেকে দুই পক্ষে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি, অবরোধে বন্ধ যান চলাচল মণিপুরে ফের জাতিগত সংঘাত, পৃথক দুই হামলায় নিহত ৫ পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি: শওকত আজিজ রাসেল কারাগারে এইচএসসিতে পাস সাড়ে ৬ লাখ, উচ্চশিক্ষায় আসন প্রায় ১৫ লাখ গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশ
Skip to content

রামপালের ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ: বাড়ছে লোডশেডিং, এখনো পৌঁছায়নি ভারতীয় প্রকৌশলী

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র। ফাইল ছবি

বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন অর্ধেকেরও নিচে নেমে গেছে। এতে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়েও লোডশেডিং বেড়েছে। তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন বাগেরহাটের গ্রাহকেরা।

কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বয়লার অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া ও অভ্যন্তরীণ কারিগরি জটিলতার কারণে গত রোববার সকালে ২ নম্বর ইউনিটটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ইউনিটটি বন্ধ থাকায় রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক উৎপাদন ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি থেকে কমে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছে।

এদিকে ত্রুটি নিরসনে ভারত থেকে দুইজন বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী আসার কথা থাকলেও আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত তারা রামপালে এসে পৌঁছাননি। ফলে ২ নম্বর ইউনিটের মেরামত শেষ করে ঠিক কবে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

অফিসিয়াল সূত্রে জানা গেছে, ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে বর্তমানে পর্যাপ্ত কয়লার মজুত রয়েছে। কয়লার সংকট না থাকায় কেন্দ্রটি জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। তবে বয়লার অতিরিক্ত গরম হওয়া এবং অভ্যন্তরীণ কারিগরি ত্রুটির কারণে হঠাৎ করেই ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়।

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম বলেন, ভারতীয় প্রকৌশলীরা এসে পৌঁছালে বয়লারের বাকি কাজ সম্পন্ন করা হবে। এরই মধ্যে দেশীয় প্রকৌশলীরা বয়লারের প্রাথমিক কাজ শুরু করেছেন। তবে কেন্দ্রটি ঠিক কোন দিনে শতভাগ উৎপাদনে ফিরবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্তভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও অন্তত ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগতে পারে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া ইউনিটটি বর্তমানে ‘কুল ডাউন’ বা ঠান্ডা করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

রামপাল কেন্দ্রের একটি ইউনিট হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাগেরহাটজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহে এর প্রভাব পড়েছে। তীব্র গরমের মধ্যে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দ্রুত মেরামতের কাজ শেষ করে ২ নম্বর ইউনিটকে পূর্ণ উৎপাদনে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা।

এনএনবাংলা/