সাম্প্রতিক
এআইইউবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. হাসানুল এ. হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আবেদীন ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যু, সেপ্টেম্বরের ১৩ দিনেই ৬০ প্রাণহানি যুক্তরাজ্য ভেঙে দিতে চায় তিন দেশ, ফার্স্ট মিনিস্টারদের চুক্তি বিদ্যুতে লুটপাট: ১৭ বছরে পরিশোধ ২,৮৯,৯৪৯ কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জ! ডাকসুতে জিন্নাহ’র ছবি প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: ঢাবি কর্তৃপক্ষ ঢাকা দক্ষিণে সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিনকে মেয়র প্রার্থী করল জামায়াত ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার হরমুজ বন্ধের খবরে তেলের দাম বাড়ছে হু হু করে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, আতঙ্কে পদদলিত হয়ে শিশুসহ নিহত ৬ টানাপোড়েনের মধ্যেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায় ভারত
Skip to content

লাওসে বাংলাদেশিদের নতুন শ্রম ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট বন্ধ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ডের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত লাওস। ছবি: সংগৃহীত

লাওসে বাংলাদেশি নাগরিকদের নতুন ওয়ার্ক পারমিট, শ্রমিক আমদানি পরিকল্পনা ও শ্রম প্রকল্পের অনুমোদন স্থগিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন শ্রম ভিসা (এলএ-বি২) অনুমোদনও বন্ধ থাকবে। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া এ স্থগিতাদেশ আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।

লাওসের শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য লাওশিয়ান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবৈধ অভিবাসন, মানবপাচার, অননুমোদিত শ্রমিক সরবরাহকারী এবং শ্রমিক আনার পর দায় এড়িয়ে যাওয়া নিয়োগকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রেই কেন এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দেশনায় নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

নতুন নির্দেশনার ফলে কোনো ব্যক্তি, কোম্পানি, নিয়োগকর্তা বা শ্রমিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নিজ উদ্যোগে বাংলাদেশি নাগরিকদের লাওসে প্রবেশ বা কাজে নিয়োগের অনুমোদন দিতে পারবে না। একইসঙ্গে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন শ্রম ভিসা (এলএ-বি২) অনুমোদনও বছরের শেষ পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

তবে নির্দিষ্ট চুক্তির সময়সূচি অনুযায়ী পরিচালিত বড় সরকারি অনুমোদিত অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলো এ স্থগিতাদেশের আওতামুক্ত থাকবে।

নির্দেশনা অমান্য করলে জরিমানা, বাধ্যতামূলক বহিষ্কার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক লাইসেন্স বাতিলের মতো শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। অনুমোদন ছাড়া শ্রমিক আমদানি বা নিয়োগ করলে প্রতি শ্রমিক ও প্রতি ঘটনায় ২৫ লাখ লাও কিপ জরিমানা করা হবে, যা প্রায় ১১০ ডলারের সমান। অন্য শ্রম ইউনিটে পুনর্বণ্টনের জন্য শ্রমিক আমদানি করলেও একই জরিমানা প্রযোজ্য হবে।

এ ছাড়া অন্য শ্রম ইউনিটের জন্য নির্ধারিত শ্রমিক ব্যবহার বা গ্রহণ করলে প্রতি শ্রমিক ও প্রতি ঘটনায় ২০ লাখ কিপ, অর্থাৎ প্রায় ৮৯ ডলার জরিমানা হবে। অনুমোদন ছাড়া নির্ধারিত কর্মস্থল পরিবর্তন করে অন্য জায়গায় কাজ করলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে ১০ লাখ কিপ বা প্রায় ৪৪ ডলার জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি ৩০ দিনের মধ্যে তাকে বহিষ্কার করা হতে পারে। বহিষ্কার ও ভ্রমণসংক্রান্ত সব ব্যয় নিয়োগকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বহন করতে হবে।

একই ধরনের অপরাধ পুনরায় করলে জরিমানার পরিমাণ তিন গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।

সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) প্রায় ৫ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল করেছে। এর পরপরই লাওসের শ্রমবাজারে নতুন করে বাংলাদেশি কর্মী প্রবেশ বন্ধের সিদ্ধান্ত বৈদেশিক শ্রমবাজার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছর লাওসের বিভিন্ন খাতে ৩ হাজার ২৮৯ জন বাংলাদেশি শ্রমিক গেছেন।

এনএনবাংলা/