সাম্প্রতিক
এআইইউবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. হাসানুল এ. হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আবেদীন ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যু, সেপ্টেম্বরের ১৩ দিনেই ৬০ প্রাণহানি যুক্তরাজ্য ভেঙে দিতে চায় তিন দেশ, ফার্স্ট মিনিস্টারদের চুক্তি বিদ্যুতে লুটপাট: ১৭ বছরে পরিশোধ ২,৮৯,৯৪৯ কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জ! ডাকসুতে জিন্নাহ’র ছবি প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: ঢাবি কর্তৃপক্ষ ঢাকা দক্ষিণে সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিনকে মেয়র প্রার্থী করল জামায়াত ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার হরমুজ বন্ধের খবরে তেলের দাম বাড়ছে হু হু করে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, আতঙ্কে পদদলিত হয়ে শিশুসহ নিহত ৬ টানাপোড়েনের মধ্যেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায় ভারত
Skip to content

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল: ওসির পর এবার ডিসি প্রত্যাহার

উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনার পর গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেনের পর এবার ওই বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (গুলশান বিভাগ) এম তানভীর আহমেদকে প্রশাসনিক কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ডিএমপি সদর দপ্তরের সঙ্গে সংযুক্ত করা হলো। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

তবে অফিস আদেশে তানভীর আহমেদকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

এর আগে বুধবার সকালে গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেনকেও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে এই প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গত শুক্রবার গুলশান-১ এলাকায় আওয়ামী লীগের কয়েকশ নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণে একটি মিছিল বের হয়। পুলিশ মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে তারা দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।

মিছিল চলাকালে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি তাজা ককটেলসহ দুজনকে আটক করার তথ্য জানিয়েছিল পুলিশ। একই দিন ওই ঘটনায় গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গত সোমবার পর্যন্ত ওই মামলায় ৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ২৪ জনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কয়েকশ নেতা-কর্মীর এমন জমায়েতের তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আগে থেকেই ছিল কি না, থাকলে কেন আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ ছাড়া মিছিলকারীরা ককটেল বিস্ফোরণের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং পরে গ্রেপ্তারের ঘটনাও আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যেই গুলশান থানার ওসির পর এবার ওই বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এম তানভীর আহমেদকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার আদেশ দেওয়া হলো।

এনএনবাংলা/