সাম্প্রতিক
‘নাইন ইলেভেন’-যে দিনের পর বদলে গেছে মুসলিমদের সাথে আমেরিকার সম্পর্ক নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, চাপে সাধারণ মানুষ আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, দেশে বাড়ল লোডশেডিং গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল; ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ২ ভারতের সঙ্গে হাসিনার ১০১ চুক্তিতে ‘দেশের স্বার্থ’ খুঁজছে সরকার: চিফ হুইপ এইচ-১বি ভিসায় ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের উদ্যোগ ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৩ শিশুর ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন কার্যক্রম দেশে অক্টোবরে শুরু হচ্ছে স্মার্টফোন উৎপাদন, পাওয়া যাবে ২–৩ হাজার টাকায় আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে গাড়ির দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালক-ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে গ্যাসের সংকট তীব্র হওয়ায় সিএনজি স্টেশনগুলোতে বাড়ছে গাড়ির দীর্ঘ সারি। রাতদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ার অভিযোগ করছেন চালকেরা।

এতে একদিকে নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা, অন্যদিকে কমে যাচ্ছে দৈনিক আয়। নির্ধারিত জমার টাকা, জ্বালানি খরচ ও সংসারের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে অনেক চালককে।

গ্যাসের সংকটে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহারও কমে যাচ্ছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে তেলে গাড়ি চালাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ গাড়ি গ্যারেজে রেখে দিচ্ছেন।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের চাপ কম থাকায় ধীরগতিতে গাড়িতে জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে। ফলে একটি গাড়ির গ্যাস নেওয়া শেষ হওয়ার পরও স্টেশনের বাইরে অপেক্ষমাণ গাড়ির সারি দ্রুত কমছে না। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও গ্যাস না পাওয়ায় ভোগান্তি আরও বাড়ছে।

চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বাভাবিক সময়ে রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে যে সময় আয় করার কথা, তার বড় একটি অংশ এখন গ্যাস সংগ্রহেই চলে যাচ্ছে। কোনো কোনো চালককে দিনে দুই দফা স্টেশনে যেতে হচ্ছে। একবার গ্যাস নেওয়ার পর কয়েক ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে আবার জ্বালানি নিতে ফিরতে হচ্ছে। এতে যাত্রী পরিবহনের সময় কমে যাওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে চালকদের অতিরিক্ত শ্রম ও খরচ।

চালকদের এই দুর্ভোগের সরাসরি প্রভাব পড়ছে যাত্রীদের ওপরও। গ্যাস নেওয়ার জন্য গাড়ি স্টেশনে আটকে থাকায় অনেক সময় রাস্তায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিএনজি অটোরিকশা পাওয়া যাচ্ছে না। গাড়ি পাওয়া গেলেও অনেক ক্ষেত্রে বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে যাত্রীদের।

শুধু গণপরিবহন নয়, ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকেরাও পড়েছেন ভোগান্তিতে। জরুরি কাজে বের হয়ে গ্যাস নিতে স্টেশনে ঢুকলে দীর্ঘ সারিতে আটকে যেতে হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক যাতায়াতেও তৈরি হচ্ছে বাড়তি সময়ের অপচয়।

গ্যাস সরবরাহের সংকটের প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় বিদ্যুতের জাতীয় চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৩৮ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ১৪ হাজার ৬৬০ মেগাওয়াট। ফলে ওই সময়ে লোডশেডিং ছিল ৩৭৮ মেগাওয়াট। দিনের শুরুতে পরিস্থিতি ছিল আরও খারাপ। সকাল ৬টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৮১৯ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ হয় ১২ হাজার ৭১৭ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়ায় ২ হাজার ১০২ মেগাওয়াটে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১টায় লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৯৮১ মেগাওয়াট। অর্থাৎ গ্যাস সরবরাহের সংকট শুধু সিএনজি স্টেশনেই নয়, এর প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সামগ্রিক জনজীবনেও।

এনএনবাংলা/