Skip to content

পরিবেশ ও নদী রক্ষার আহ্বান

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে মোহাম্মদপুরে সিজিইডির মানববন্ধন

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও নদী সংরক্ষণের দাবিতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে এক মানবপ্রাচীর ও মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (৫ জুন) ‘সেন্টার ফর গ্লোবাল এনভাইরনমেন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট’ (সিজিইডি)-এর উদ্যোগে মোহাম্মদপুরস্থ জাপান গার্ডেন সিটির সামনের প্রধান সড়কে এই কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।

পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই কর্মসূচীতে সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রায় শতাধিক সচেতন নাগরিক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। পুরো কর্মসূচীটি সফলভাবে পরিচালনা করেন সিজিইডির নির্বাহী পরিচালক ড. মো: আবদুল ওয়াহাব। এই মানববন্ধন কর্মসূচীকে সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে ‘ঢাকা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ টিম’।সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ

মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে একাত্মতা জানান স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, প্রকৌশলী, শিক্ষার্থী এবং জাপান গার্ডেন সিটি কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যরা। কর্মসূচীতে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ পরিবেশ বিপর্যয় রোধে স্লোগান দেন এবং নদী ও প্রকৃতি রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
কর্মসূচীতে বক্তারা বর্তমান বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ও স্থানীয় পরিবেশ দূষণ রোধ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং দেশের নদ-নদীগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বক্তব্য রাখেন।

বিশিষ্ট পরিবেশবাদীদের তাগিদমানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন দেশের বিশিষ্ট পরিবেশবাদী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। এদের মধ্যে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: সদর আলী বিশ্বাস, চেয়ারম্যান, সিজিইডি, ড. রফিকুল ইসলাম, সভাপতি, ঢাকা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ টিম এবং বেলাল উদ্দীন, সদস্য, ঢাকা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ টিম।

বক্তারা বলেন, “ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ ও বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যেতে হলে এখনই আমাদের চারপাশের পরিবেশ, নদী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। প্লাস্টিক বর্জন, বৃক্ষরোপণ এবং নদী দূষণ বন্ধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি জরুরি।”
সমাবেশে জাপান গার্ডেন সিটি কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ জানান, নগরীর ফুসফুস খ্যাত গাছপালা ও জলাশয় রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। মানববন্ধন শেষে উপস্থিত সকলে পরিবেশ রক্ষায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার এবং পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।