সাম্প্রতিক
নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা ঢাকায় অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন পরিকল্পনা, কতটা কার্যকর হবে? রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ, তদন্তে আরও ৪ জন হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ডেঙ্গুতে একজনের প্রাণহানি তিন ফিফটিতে বাংলাদেশের ৩১৭, প্রথম দিনেই নাটকীয় উত্থান-পতন শেখ হাসিনার আমলে দুই বিচার নিয়ে কী বলেছিলেন নাভি পিল্লাই? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ বিজেপির মোটরসাইকেলে এসে বিকাশকর্মীদের গাড়িতে গুলি, দুই বস্তায় থাকা তিন কোটি টাকা লুট নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল জয়ের পরই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে ছয় কোটি ২০ লাখ নিম্ন মধ্যবিত্ত
Skip to content

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে অস্বস্তিতে নাগরিক জীবন

ছবি: সংগৃহীত

গ্যাস-বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের বাড়তি দামের পাশাপাশি বাজারে প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। এতে করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে সব ধরণের ক্রেতা। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোকে প্রতিনিয়ত সংসার চালাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। জনমনে অসন্তোষ বাড়ছে লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের কারণে।

রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, মিনিকেট চাল ৭৮ টাকা এবং অনেক সবজি ৮০ থেকে ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হয়েছে।

ডিমের দাম এখনো কমেনি। বাজারে প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম এখনো আগের মতোই আছে। প্রতি লিটার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু বাজারে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা পাম তেলের দাম প্রতি লিটার ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা।

চিনির বাজারেও অস্থিরতা শুরু হয়েছে। খুচরা বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি চিনি ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দাম বেড়েছে প্রায় ১০ টাকা। বিক্রেতারা বলছেন, প্যাকেটজাত চিনির দামও বাড়তে পারে।

এদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির গত ১৮ আগস্ট (সরকারের ছয় মাসপূর্তির পরদিন) ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে বলেছেন জীবনযাত্রার বর্তমান ব্যয় নিয়ে তিনি মোটেই সন্তুষ্ট নন। তবে নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও সরকার দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে পেরেছে বলে দাবি করেন তিনি। দাম কমাতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ, ঋণের সুদ, উৎপাদনশীলতা, পরিবহন ও অবকাঠামোর উন্নতির প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।বাণিজ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যই সরকারের ১৮০ দিনের বাজার ব্যবস্থাপনার একটি মূল্যায়ন—পরিস্থিতি কিছু সূচকে আগের চেয়ে ভালো হলেও সন্তুষ্ট হওয়ার মতো নয়।

এনএনবাংলা/এফএস