সাম্প্রতিক
নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা ঢাকায় অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন পরিকল্পনা, কতটা কার্যকর হবে? রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ, তদন্তে আরও ৪ জন হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ডেঙ্গুতে একজনের প্রাণহানি তিন ফিফটিতে বাংলাদেশের ৩১৭, প্রথম দিনেই নাটকীয় উত্থান-পতন শেখ হাসিনার আমলে দুই বিচার নিয়ে কী বলেছিলেন নাভি পিল্লাই? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ বিজেপির মোটরসাইকেলে এসে বিকাশকর্মীদের গাড়িতে গুলি, দুই বস্তায় থাকা তিন কোটি টাকা লুট নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল জয়ের পরই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে ছয় কোটি ২০ লাখ নিম্ন মধ্যবিত্ত
Skip to content

কলকাতায় ৪৮ ঘণ্টায় বন্ধ হয়ে গেল ২২১ হোটেল, বিপাকে কয়েক হাজার বাংলাদেশি পর্যটক

মারকুইজ স্ট্রিটে আবাসিক হোটেল ছাড়ছেন বাংলাদেশি পর্যটকরা। ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর অগ্নিনিরাপত্তা বিধি না মানা হোটেল ও রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে প্রশাসন। মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় কলকাতার ‘মিনি বাংলাদেশ’খ্যাত মারকুইজ স্ট্রিট, কলিন স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট ও মির্জা গালিব স্ট্রিট এলাকায় ২২১টি হোটেল ও ৯টি রেস্তোরাঁ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কলকাতায় অবস্থানরত বাংলাদেশি পর্যটকেরা। বর্তমানে কলকাতায় প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশি পর্যটক অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৭ হাজারই নিউমার্কেট এলাকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

পর্যটকদের নিরাপত্তায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসন। মির্জা গালিব স্ট্রিটের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনার দিন সন্ধ্যা থেকেই হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে অভিযান শুরু করে নিউমার্কেট থানার পুলিশ। অভিযানে পশ্চিমবঙ্গের উপমুখ্যমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও অংশ নেন।

অভিযানে দেখা যায়, অনেক হোটেলে ফায়ার লাইসেন্স, ফায়ার অ্যালার্ম ও জরুরি সিঁড়ি নেই। কোথাও আবার ফায়ার অডিট ও পুলিশ পারমিশনেরও ঘাটতি রয়েছে। এসব কারণে গত শনিবার থেকে মাত্র দুই দিনে ২২১টি হোটেল ও ৯টি রেস্তোরাঁ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অগ্নিনিরাপত্তা বিধি না মানা একাধিক হোটেলের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।

হোটেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নিউমার্কেট এলাকায় থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেই নতুন করে থাকার জায়গা খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ কলকাতা ছাড়ছেন বলেও জানা গেছে। নতুন হোটেল খুঁজতে গিয়ে অনেক পর্যটককে বাড়তি ভাড়ার মুখে পড়তে হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু হোটেলের ভাড়া দেড় থেকে দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়ে গেছে।

কলকাতার পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন। নিউমার্কেট ও আশপাশের এলাকায় বাংলাদেশি পর্যটকদের ঘিরে গড়ে উঠেছে হোটেল, খাবারের দোকান, পরিবহন, কেনাকাটা ও বিভিন্ন পরিষেবার ব্যবসা। সাম্প্রতিক কয়েক বছরে নানা কারণে এসব ব্যবসা চাপের মধ্যে ছিল।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ৯ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি এবং দুজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন।

এনএনবাংলা/