সাম্প্রতিক
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা নিউইয়র্কের রেস্তোরাঁয় গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আহত ১ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা কারাগারে খলনায়ক ডনের ৭ দিনের রিমান্ড চাইলো সিআইডি বাংলাদেশের সঙ্গে সবার আগে অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক দরকার: ভারতের হাইকমিশনার দ. কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমতি দিল সরকার ৯৫ কারখানা বন্ধ, চাকরি হারিয়েছেন ৬১ হাজার ৮৮১ জন: সিপিডি ব্রিটিশ নাগরিকত্বের প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বললেন, ‘কার এত জ্বালা’ কলকাতায় ৪৮ ঘণ্টায় বন্ধ হয়ে গেল ২২১ হোটেল, বিপাকে কয়েক হাজার বাংলাদেশি পর্যটক রাজধানীতে ৫ হাজার ইয়াবাসহ পল্লবী থানার এএসআই গ্রেপ্তার
Skip to content

কলকাতায় ৪৮ ঘণ্টায় বন্ধ হয়ে গেল ২২১ হোটেল, বিপাকে কয়েক হাজার বাংলাদেশি পর্যটক

মারকুইজ স্ট্রিটে আবাসিক হোটেল ছাড়ছেন বাংলাদেশি পর্যটকরা। ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর অগ্নিনিরাপত্তা বিধি না মানা হোটেল ও রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে প্রশাসন। মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় কলকাতার ‘মিনি বাংলাদেশ’খ্যাত মারকুইজ স্ট্রিট, কলিন স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট ও মির্জা গালিব স্ট্রিট এলাকায় ২২১টি হোটেল ও ৯টি রেস্তোরাঁ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কলকাতায় অবস্থানরত বাংলাদেশি পর্যটকেরা। বর্তমানে কলকাতায় প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশি পর্যটক অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৭ হাজারই নিউমার্কেট এলাকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

পর্যটকদের নিরাপত্তায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসন। মির্জা গালিব স্ট্রিটের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনার দিন সন্ধ্যা থেকেই হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে অভিযান শুরু করে নিউমার্কেট থানার পুলিশ। অভিযানে পশ্চিমবঙ্গের উপমুখ্যমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও অংশ নেন।

অভিযানে দেখা যায়, অনেক হোটেলে ফায়ার লাইসেন্স, ফায়ার অ্যালার্ম ও জরুরি সিঁড়ি নেই। কোথাও আবার ফায়ার অডিট ও পুলিশ পারমিশনেরও ঘাটতি রয়েছে। এসব কারণে গত শনিবার থেকে মাত্র দুই দিনে ২২১টি হোটেল ও ৯টি রেস্তোরাঁ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অগ্নিনিরাপত্তা বিধি না মানা একাধিক হোটেলের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।

হোটেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নিউমার্কেট এলাকায় থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেই নতুন করে থাকার জায়গা খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ কলকাতা ছাড়ছেন বলেও জানা গেছে। নতুন হোটেল খুঁজতে গিয়ে অনেক পর্যটককে বাড়তি ভাড়ার মুখে পড়তে হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু হোটেলের ভাড়া দেড় থেকে দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়ে গেছে।

কলকাতার পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন। নিউমার্কেট ও আশপাশের এলাকায় বাংলাদেশি পর্যটকদের ঘিরে গড়ে উঠেছে হোটেল, খাবারের দোকান, পরিবহন, কেনাকাটা ও বিভিন্ন পরিষেবার ব্যবসা। সাম্প্রতিক কয়েক বছরে নানা কারণে এসব ব্যবসা চাপের মধ্যে ছিল।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ৯ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি এবং দুজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন।

এনএনবাংলা/