সাম্প্রতিক
মবের শিকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিযোগ তদন্ত করবে জাতিসংঘ, আসছেন কর্মকর্তা ঢাকা থেকে হঠাৎ দিল্লি: ত্রিবেদীর চমক, নাকি শুধুই দৌড়ঝাঁপ? ‘জামিন পেলে সমাজে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি হবে’, গাজী নজরুলের বিষয়ে বিচারক তিন মাসে এলপিজির কাঁচামালের দাম কত ও কেন বাড়লো? ঢাকার রাস্তায় ‘মায়া রাইড’, নারী যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছেন নারী চালকরাই উত্তাল দিল্লি: পুলিশে টেনে-হিঁচড়ে সরানোর পরও রাস্তায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কার অবস্থান শেষ ম্যাচেও মেসি জাদুতে বুঁদ বিশ্ব, বিদায় বার্তায় কী বললেন ফুটবলের যাদুকর? কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের ‘অপতৎপরতা’ কঠোরভাবে দমন করা হবে: ডিবিপ্রধান সেপ্টেম্বরে বেড়েছে মূল্যস্ফীতি, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Skip to content

বাংলাদেশকে টপকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থানে চীন

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ কমে ৫ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এমন তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।

এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থান হারিয়ে তৃতীয় স্থানে নেমে এসেছে বাংলাদেশ। শীর্ষ স্থানে আগের মতো এখনও ভিয়েতনাম আছে; দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে চীন।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে, অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে আগস্ট সময়ে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৫৩৯ কোটি ৩৪ লাখ (৫.৩৯ বিলিয়ন) ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ কম।

এই সময়ে চীন যুক্তরাষ্ট্রে ৫৬৩ কোটি সাত লাখ (৫.৬৩ বিলিয়ন) ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে; যা ২০২৫ সালের জানুয়ারি-আগস্টের চেয়ে ৩৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ কম।

যদিও তৈরি পোশাকের সামগ্রিক বাজারে মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশের তুলনামূলক কম পতনকে উদ্যোক্তারা ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

ওটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-আগস্ট সময়ে স্কয়ার মিটার সমতুল্য (এসএমই) হিসাবে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির পরিমাণ কমেছে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং গড়ে প্রতি একক পোশাকের দাম (ইউনিট প্রাইজ) কমেছে ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

এই সময়ে চীন ও ভারত থেকে আমদানির পরিমাণ কমেছে যথাক্রমে ২১ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং ২৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। ভিয়েতনাম থেকে আমদানি কমার হার ছিল ০ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ০ দশমিক ২৭ শতাংশ। তবে কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানির পরিমাণ যথাক্রমে ৭ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেড়েছে।

দামের দিক থেকে বাংলাদেশি পোশাকের গড় একক মূল্য যেখানে ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমেছে, সেখানে ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে এ হার কমেছে ০ দশমিক ৫৮ শতাংশ, চীনের ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং ভারতের ২ দশমিক ০৪ শতাংশ। পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়ার পোশাকের গড় দামও একই সময়ে কমেছে।

এশিয়ার প্রধান সরবরাহকারী দেশগুলোর পোশাকের দাম কমেছে, তবুও মার্কিন বাজারে আমদানিকৃত সামগ্রিক পোশাকের গড় একক মূল্য ১ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়েছে।

এনএনবাংলা/এফএস