সাম্প্রতিক
Skip to content

অন্ধকারে আশাজাগানিয়া গান ফেরদৌস ওয়াহিদ-মানিকের ‘সূর্যবার’

আমিরুল মোমেনীন মানিক ও ফেরদৌস ওয়াহিদ। ছবি: সংগৃহীত

প্রকাশিত হয়েছে ফেরদৌস ওয়াহিদ ও আমিরুল মোমেনীন মানিক এর নতুন গান ‘সূর্যবার’। গানটি ইতোমধ্যে ‘মানিক মিউজিক’ শিরোনামের ইউটিউব চ্যানেলে উন্মুক্ত হয়েছে। হতাশা, সংকট এবং স্বপ্নভঙ্গের বিপরীতে আশাজাগানিয়া এ গানটির কথা লিখেছেন জীবনমুখী গানের শিল্পী আমিরুল মোমেনীন মানিক। সুর করেছেন পিজিত মহাজন। সঙ্গীত আয়োজনে ছিলেন অটমনাল মুন।

গানটি প্রসঙ্গে পপতারকা ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, আমাদের জীবনে প্রতিনিয়তই স্বপ্নভঙ্গ এবং বিশ্বাসঘাতকতার ঘটনা ঘটছে। নানা কারণে আমরা হতাশ হয়ে পড়ছি। এইসব হতাশা এবং অন্ধকারের বিরুদ্ধে আমরা মানুষের হৃদয়ে আশা জাগাতে গেয়েছি ‘সূর্যবার’ শিরোনামের গান। গানটির যেমন কথা তেমনই সুর। এক কথায় অসাধারণ। বহুদিন পর এরকম বাস্তববাদী গানে কণ্ঠ দিলাম। আমার বিশ্বাস, এর মধ্য দিয়ে ইতিবাচক বাঁকবদলের পক্ষে বাংলা গান একধাপ এগিয়ে যাবে।

আশির দশকে পপসঙ্গীত দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন ফেরদৌস ওয়াহিদ। ওই সময় তাঁর গাওয়া ‘এমন একটা মা দেনা’, ‘মামুনিয়া’, ‘আগে যদি জানতাম’ শিরোনামের গানগুলো তুমুল দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করে। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ফেরদৌস ওয়াহিদকে। পরবর্তীতে তাঁর পুত্র হাবিব ওয়াহিদও সঙ্গীতায়োজন ও শব্দসংযোজনের ক্ষেত্রে বাংলাগানের ইতিহাসে নতুন ধারা তৈরি করেন।

২০০৫ সালে আমিরুল মোমেনীন মানিক মূলত ‘মা যে দশ মাস দশ দিন’ শিরোনামের গান দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। পরবর্তীতে প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁর গাওয়া ‘আয় ভোর’, ‘নীল পরকীয়া’, ‘সকাল হবে কি’ শিরোনামের গানগুলো জনপ্রিয়তা পায়। লেখক হিসেবে ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি’র একুশে বইমেলায় তাঁর লেখা ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় স্টুপিড শিক্ষক’ বইটি বেস্টসেলার হয়। সাংবাদিকতায় আমিরুল মোমেনীন মানিক ২০১১ সালে পেয়েছেন সম্মানজনক ‘ইউনেস্কো ক্লাব জার্নালিজম এ্যাওয়ার্ড’। ইউটিউব জার্নালিজমের ধারণা দিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘চেঞ্জটিভি. প্রেস’। বর্তমানে মানিক হামদর্দ বাংলাদেশের পরিচালক তথ্য ও গণসংযোগ হিসেবে কর্মরত।

এনএনবাংলা/