সাম্প্রতিক
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার প্রথম ধাপে ১,০৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গেও আলোচনা চলছে: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশি নাগরিকদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ স্থানে একই সময়ে হাতবোমা বিস্ফোরণ, আটক ১ গুলশান-১ গোলচত্বরে তিন বিঘা জমিতে ৪০ তলা ভবনের ছক এঁকেছে শান্তা হোল্ডিংস বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি, লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন ভাটারায় স্কুল বাসে আগুন, মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ রমজানের আগে ১০ পণ্যের এলসি খোলার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক এইচএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ‘সবচেয়ে বেশি ইংরেজিতে’
Skip to content

গ্রুপ সেরা ম্যানচেস্টার সিটি

অনলাইন ডেস্ক :

তারকায় ঠাসা পিএসজিকে প্রথমার্ধ জুড়ে দর্শক বানিয়ে একের পর এক আক্রমণ করেও গোল পেল না ম্যানচেস্টার সিটি। উল্টো বিরতির পর মুহূর্তের ঝলকে এগিয়ে গেল পিএসজি। তবে সে ধাক্কা দারুণভাবে সামলে উঠে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিল পেপ গুয়ার্দিওলার দল। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বে ফিরতি লেগের ম্যাচে ২-১ গোলে জিতেছে ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা। এতে তাদের গ্রুপ সেরা হয়ে শেষ ষোলোয় খেলাও নিশ্চিত হয়ে গেছে। ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতাটির গত আসরে সেমি-ফাইনালে এই সিটির বিপক্ষে দুই লেগেই হেরেছিল পিএসজি। এবার গ্রুপ পর্বে প্রথম দেখায় জিতে সেই কষ্টে কিছুটা প্রলেপ দেয় তারা। এবার দলটির মাঠে এসে আবারও হেরে বসল নেইমার-এমবাপেরা। অবশ্য এখানে হারলেও অন্য ম্যাচের ফল পক্ষে আসায় নকআউট পর্বে উঠে গেছে পিএসজি। একই সময়ে শুরু হওয়া আরেক ম্যাচে ক্লাব ব্রুজকে ৫-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে লাইপজিগ। পাঁচ ম্যাচে চার জয়ে ১২ পয়েন্ট সিটির। দুটি করে জয় ও ড্রয়ে ৮ পয়েন্ট পিএসজি। ক্লাব ব্রুজের সমান ৪ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে উঠেছে লাইপজিগ। হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো সিটি। রদ্রির হেডে বল গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে জালে জড়াতে যাচ্ছিল, গোললাইন থেকে ফেরান ডিফেন্ডার প্রেসনেল কিম্পেম্বে। ওই আক্রমণেই মুহূর্তের ব্যবধানে আরও দুবার চেষ্টা চালায় স্বাগতিকরা; গোলরক্ষক নাভাস কোনোমতে প্রথমবার ফেরানোর পর রিয়াদ মাহরেজের শট পাশের জাল কাঁপায়। চার মিনিট পর ছয় গজ বক্সের বাঁ দিকে ফাঁকায় বল পেয়েও নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি রাহিম স্টার্লিং। ১৮তম মিনিটে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে মাহরেজের আরেকটি শট হেডে ঠেকান ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি। প্রথমার্ধে সিটির একচেটিয়া আক্রমণে ঘর সামলাতে ব্যস্ত সময় কাটে পিএসজির। ৩৩তম মিনিটে গিনদোয়ানের বুলেট গতির শট পোস্টে বাধা পায়। মুহূর্ত পরই মাহরেজের আরেক শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে জাল অক্ষত রাখেন নাভাস। প্রতিপক্ষের প্রবল চাপে কোণঠাসা পিএসজি যেন নিজেদের সীমানা ছেড়েই বের হতে পারছিল না। প্রথম ৪৫ মিনিটে একটি মাত্র শটই লক্ষ্যে রাখতে পারে তারা; নুনো মেন্দেসের সেই শট যদিও অনায়াসেই ঠেকান সিটি গোলরক্ষক। আর বিরতির খানিক আগে আরেকটি প্রতি-আক্রমণে একা প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে ঢুকেও উড়িয়ে মারেন এমবাপে। প্রথম ভাগে পিএসজির বিবর্ণ আক্রমণভাগ দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই জ¦লে উঠল। ৫০তম মিনিটে দারুণ এক গোছালো আক্রমণে দলকে এগিয়ে নিলেন এমবাপে। ডি-বক্সের বাইরে আন্দের এররেরার সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান খেলে ভিতরে ঢুকে ডান দিকে পাস দিলেন মেসি। প্রতিপক্ষের একজনের পা ছুঁয়ে বল চলে গেল অরক্ষিত এমবাপের পায়ে। ঠা-া মাথায় সময় নিয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে গোলটি করলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। পাল্টা জবাব দিতে খুব বেশি সময় নেয়নি সিটি। ৬৩তম মিনিটে বাঁ থেকে সতীর্থের বাড়ানো ক্রসে বাইলাইনের কাছ থেকে লাফিয়ে নেওয়া ভলিতে গোলমুখে বল বাড়ান কাইল ওয়াকার। গাব্রিয়েল জেসুস পারেননি টোকা দিতে, তবে পেছনে দাঁড়ানো স্টার্লিং আলতো শটে খুঁজে নেন ঠিকানা। সাত মিনিট পর আবারও পিএসজি শিবিরে ভীতি ছড়ায় সিটি। তবে জেসুসের শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান নাভাস। খানিক পর দারুণ একটি গোল হতে পারতো নেইমারের। আনহেল দি মারিয়ার সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়া করে ডি-বক্সে ঢুকে দুজন ডিফেন্ডারের মধ্যে দিয়ে আরও সামনে এগিয়ে ওয়ান-অন-ওয়ানে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। এরপরই এগিয়ে যায় সিটি। ৭৬তম মিনিটে ডান দিক থেকে দূরের পোস্টে ক্রস বাড়ান মাহরেজ। বের্নার্দো সিলভা শট নিয়ে ছোট করে পাস বাড়ান জেসুসের পায়ে। ডান পায়ের শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার। শেষ দিকে পিএসজি কিছুটা চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করলেও উল্লেখযোগ্য তেমন কিছুই করতে পারেনি তারা। মেসি-নেইমার-এমবাপেয় গড়া সময়ের সেরা আক্রমণভাগ বিচ্ছিন্ন কিছু মুহূর্ত বাদে নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেনি মোটেও। বড় দুই দলের লড়াইয়ে দেখার বিষয় ছিল আরেকটি; চোট কাটিয়ে দীর্ঘ ছয় মাসের বেশি সময় পর মাঠে নামেন কি-না সের্হিও রামোস। তবে বেঞ্চে থেকেই দলের হার দেখতে হয় তাকে।