সাম্প্রতিক
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার প্রথম ধাপে ১,০৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গেও আলোচনা চলছে: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশি নাগরিকদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ স্থানে একই সময়ে হাতবোমা বিস্ফোরণ, আটক ১ গুলশান-১ গোলচত্বরে তিন বিঘা জমিতে ৪০ তলা ভবনের ছক এঁকেছে শান্তা হোল্ডিংস বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি, লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন ভাটারায় স্কুল বাসে আগুন, মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ রমজানের আগে ১০ পণ্যের এলসি খোলার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক এইচএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ‘সবচেয়ে বেশি ইংরেজিতে’
Skip to content

অ্যাশেজ টেস্টের তৃতীয় ম্যাচে ইংনিংস ব্যবধানে হারলো ইংল্যান্ড

অনলাইন ডেস্ক :

বছরের শেষটা সুন্দর হলো না ইংল্যান্ডের। পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে টানা তিন হারে সিরিজ হাতছাড়া ইংলিশদের। শুধু তাই নয়, অ্যাশেজ টেস্টের তৃতীয় ম্যাচে ইংনিংস ব্যবধানে হারা ইংলিশদের অনাকাক্সিক্ষত একটি রেকর্ডেও নাম উঠে গেল। যে রেকর্ড এতদিন ছিল বাংলাদেশের দখলে। বক্সিং ডে টেস্টের তৃতীয় দিন সকালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৬৮ রানে ইনিংস গুটিয়ে যায় জো রুটদের। এতেই এক ইনিংস ও ১৪ রানে হেরে যায় তারা। এই বছর এটি ইংলিশদের নবম টেস্ট হার। এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি হারের রেকর্ডে বাংলাদেশকে স্পর্শ করল তারা। ২০০৩ সালে টানা ৯টি টেস্ট হেরেছিল দু’বছর আগে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া বাংলাদেশ। অবশ্য রেকর্ড হলেও দুই দলের একটা বড় পার্থক্য আছে। বাংলাদেশ ওই বছর ৯ টেস্ট খেলে হেরেছিল সবকটি। ইংল্যান্ড এ বছর ১৫ টেস্ট খেলে হারল ৯টিতে। তবে রেকর্ডটি যখন সবচেয়ে বেশি হারের, দুই দলই এখন পাশাপাশি। এক বছরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮টি হারের রেকর্ডেও সবচেয়ে বেশিবার নাম আছে ইংল্যান্ডের। চার দফায় এই অভিজ্ঞতা আছে ইংলিশদের- ১৯৮৪, ১৯৮৬, ১৯৯৩ ও ২০১৬ সালে। এ ছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩টি ভিন্ন বছরে হেরেছে ৮টি করে টেস্ট-২০০৪, ২০০৫ ও ২০১৫ সালে। একই কাতারে থাকা বাংলাদেশ ৮ টেস্ট হেরেছে ২০০২ সালে ও ২০০৮ সালে।