সাম্প্রতিক
নভেম্বরে দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমা না চাইলেও একাত্তরের অবস্থান মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী দিল্লিতে শেখ হাসিনা-আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক বাতিল, নেপথ্যে কী? দলের নাম ও প্রতীক দুটোই হাতছাড়া মমতার ব্যবসায়ীদের চাপে ‘গুজরাটের ইলিশ’ আমদানি, জানত না মন্ত্রণালয় বাজারে উধাও ১ লিটারের সয়াবিন, খোলা তেলের দামও চড়া গুমের আন্তর্জাতিক তদন্ত চাওয়া বিএনপি এখন তা চায় না: নাহিদ ইসলাম পাকিস্তানে জ্বালানি সংকট: সরকারি ভোজ নিষিদ্ধ ও বিয়ের দাওয়াতে এক পদ গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৯ মার্চ লবণাক্ততায় হারাচ্ছে সুন্দরবনের ঔষধি গাছ, বিলুপ্তির পথে ভেষজ চিকিৎসা ও জ্ঞান
Skip to content

গাইবান্ধায় প্রধান শিক্ষকসহ তিন শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত

ফাইল ছবি

ফেরদৌস জুয়েল :

গাইবান্ধায় করোনায় আক্রান্তের হার বেড়েছে। গত তিন দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ২৩ জন। যা সনাক্ত বিবেচনায় আক্রান্তের হার ২৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। গাইবান্ধা জেলা শহরের মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ তিন শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত শিক্ষকরা হচ্ছেন প্রধান শিক্ষক আজিজা বেগম, সহকারী শিক্ষক আলহামরা পারভীন শাপলা ও ইফতিয়া বানু। অবশিষ্ট শিক্ষকরাও আতঙ্কের মধ্যে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ক্লাসে পাঠদান করছেন। ফলে বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ে ক্লাস করা শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি ওয়াজিউর রহমান রাফেল জানান, মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের করোনায় আক্রান্ত শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে আসছেন না। তবে এ নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে করোনায় সংক্রমণের আতঙ্ক বিরাজ করছে। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিদ্যালয়টি জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ করে দেয়া।

এব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. হোসেন আলীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক করোনা পজেটিভ। আর কোনো শিক্ষকের আক্রান্তের খবর তার জানা নেই। তবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়েছে।

এছাড়াও গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের পূর্ব বাটিকামারীর জমসেদের ছেলে হাসান করোনা আক্রান্ত হয়ে এলাকায় এসেছেন। তিনি ঢাকায় একটি চীনা কোম্পানিতে চাকরি করতেন। ফলে ওই এলাকার লোকজনের মধ্যেও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রশীদ জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষনার পর কিছুটা স্বস্থি ফিরে আসে। তবে জেলার হাট-বাজারসহ অফিস আদালতে করোনা সংক্রান্ত ১১ নির্দেশনা না মানায় করোনার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।