সাম্প্রতিক
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার প্রথম ধাপে ১,০৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গেও আলোচনা চলছে: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশি নাগরিকদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ স্থানে একই সময়ে হাতবোমা বিস্ফোরণ, আটক ১ গুলশান-১ গোলচত্বরে তিন বিঘা জমিতে ৪০ তলা ভবনের ছক এঁকেছে শান্তা হোল্ডিংস বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি, লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন ভাটারায় স্কুল বাসে আগুন, মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ রমজানের আগে ১০ পণ্যের এলসি খোলার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক এইচএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ‘সবচেয়ে বেশি ইংরেজিতে’
Skip to content

৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি যুক্তরাজ্যে

অনলাইন ডেস্ক :

যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি বিগত ৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত মাসে দেশটির মুদ্রাস্ফীতি সর্বোচ্চ নয় শতাংশে পৌঁছেছে। দেশটিতে গত এক বছর খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়েছে অন্তত সাত শতাংশ। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই মুদ্রাস্ফীতি দেশটির নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ জীবনধারণের ক্ষেত্রে সব ধরনের খরচ বাড়াতে পারে। যুক্তরাজ্যের অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকস গত বুধবার জানিয়েছে, বর্তমানের মুদ্রাস্ফীতির হার ১৯৯০-এর দশকের যুক্তরাজ্যের মহামন্দার সময়ের মুদ্রাস্ফীতির হারকেও পেছনে ফেলেছে। অনেকেই এই মুদ্রাস্ফীতির ফলে ৯০-এর দশকের আকাশছোঁয়া সুদের হারের কথাও স্মরণ করছেন। যুক্তরাজ্য বর্তমানে ইউরোপের সর্ববৃহৎ ৫ অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি বিরাজ করছে। জি-সেভেন ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেও যা সর্বোচ্চ। যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলেছেন, ‘বিশ্বজুড়েই দেশগুলো বর্তমানে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলা করছে। আজকের মুদ্রাস্ফীতির কারণ হলোÑগত এপ্রিলে বিশ্বজুড়ে জ¦ালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। আমরা সম্পূর্ণভাবে আমাদের জনগণকে বৈশ্বিক এই চ্যালেঞ্জ থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হব না হয়তো, তবে আমরা তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত এবং মুদ্রাস্ফীতি কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’ যুক্তরাজ্যে মুদ্রাস্ফীতির ফলে দেশটিতে রেস্তোরাঁ, ক্যাফেসহ বিভিন্ন সেবার খরচ বৃদ্ধি করেছে। বিশেষ করে গত এপ্রিলে দেশটি ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স সিস্টেমে আবারও ফিরে যাওয়ার ফলে খরচ আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা সাধারণ মানুষের।