সাম্প্রতিক
কক্সবাজারে ডিএনএ ল্যাব নেই, ১০ মরদেহ হস্তান্তরে সময় লাগবে দুই সপ্তাহ বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান কাতারে গ্রেপ্তার রুপালি গিটার ফেলে চলে গেছেন আইয়ুব বাচ্চু, আজও অমলিন তার গান একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি আপিল বিভাগে দ্রুত শুনানি হবে সাত খুন, মেজর সিনহা ও আবরার হত্যা মামলা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ পেতে সিভিতে মিথ্যা তথ্য, পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট ফ্রান্স-স্পেনের মতো বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি ও পর্তুগাল ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে আপাতত ৬৬৬ কোটি টাকার কর দিতে হবে না শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয় মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
Skip to content

১৩ বছর পর ইউরোর ফাইনালে ইংল্যান্ড

অনলাইন ডেস্ক :

২০২১ সালে পুরুষদের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালে উঠেছিল ইংল্যান্ড। সেখানে অবশ্য টাইব্রেকারে ইতালির কাছে হেরে শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হয় তাদের। তবে বছর খানেক না যেতেই ফের ইউরোর ফাইনালে ইংলিশরা। নারীদের ইউরোর ফাইনলে উঠে গেছে ইংল্যান্ডের মেয়েরা। প্রায় এক যুগ পর বড় কোন টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড নারী ফুটবল দল। প্রথম সেমিফাইনালে মঙ্গলবার টোকিয়ো অলিম্পিকের ফাইনালিস্ট সুইডেনকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে ওঠে। ম্যাচের শুরুটা দেখে অবশ্য কেউ ফলটা ভাবতে পারেনি। একদম শুরু থেকেই ইংলিশদের রক্ষণভাগে ত্রাস ছড়াতে থাকে সুইডিশ মেয়েরা। তবে ডিফেন্ডারদের কড়া পাহারা ও ইংলিশ গোলরক্ষক ম্যারি এরপ্সের দৃঢ়তায় বারবার ব্যর্থ হয় তারা। উল্টো গোল খেয়ে বসে। ম্যাচের ৩৪ মিনিটে সুইডিশদের স্তব্ধ করে দেন বেথ মিড। তার দারুণ গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। গোল খেয়ে আরও তেতে ওঠে সুইডেনের মেয়েরা। তবে ম্যারই এরপ্স ছিলেন দেয়াল হয়ে। একের পর এক আক্রমণ ব্যর্থ হয়েছে তার গ্লোভসে। তার নৈপুণ্য গোটা দলকেই জাগিয়ে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধে সুইডিশদের আক্রমণের মাঝেই একে একে তিন গোল দিয়ে বসে ইংলিশরা। গোল তিনটি করেন লুসি ব্রোঞ্জ, অ্যালেসিয়া রুসো ও ফ্রান কার্বি। এই জয়ে কোচ সারিনা ভিগমানের অধীনে টানা অপরাজিত থাকার রেকর্ডটা ১৯ ম্যাচে নিয়ে গেল ইংল্যান্ডের মেয়েরা। সেই সঙ্গে ২০০৯ সালের পর ফের ইউরোর ফাইনালে উঠল তারা। ১৩ বছর আগে সেবার জার্মানির বিপক্ষে ৬-২ গোলে পরাজিত হয়েছিল তারা। এদিকে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও জার্মানি। দুদলের মধ্যে বিজয়ী দল শিরোপার জন্য মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ডের। এবারের আসরের শুরু থেকেই শিরোপার জন্য ফেবারিট ধরা হচ্ছিল ইংলিশদের।