সাম্প্রতিক
তারেক রহমানকে দিল্লিতে কেন চায় ভারত? ‘বাবাকে নির্লজ্জভাবে মেরে ফেলার চেষ্টা চলছে’, ইমরান খানের ছেলেদের বিস্ফোরক অভিযোগ কক্সবাজারে ৩ বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ, মালিকরা বলছেন ‘বাবার উপহার’ গ্রামে লোডশেডিং কমাতেই ঢাকা হল ‘অন্ধকার’ ট্রাম্পের ছেলে ব্যারনকে হত্যায় ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা ইরানের শিগগিরই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, ‘বিনা খরচে’ যাবেন ১০ হাজার কর্মী মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদান প্রসঙ্গে জয়সোয়াল, আমরা সব ঘটনার ওপর ‘নজর রাখছি’ নেপালে বন্যা-ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৫৪৭, এখনও নিখোঁজ ৫১৭ বিদেশি সবজিতে স্বস্তি ফিরলেও বাজার অস্থির তেল-চিনি-ময়দায়, চড়া মাছ-ডিম-মুরগিও ‘ভাগ্যিস প্রেমের নাটক করার বয়স নাই’, আইনি নোটিশ নিয়ে ফারিয়ার কটাক্ষ
Skip to content

কাল দেখা যাবে ‘এখানে যদিও নেই রৌদ্রের ঘ্রাণ’

অনলাইন ডেস্ক :

জনপ্রিয় বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভিতে আগামীকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় প্রচার হবে একক নাটক ‘এখানে যদিও নেই রৌদ্রের ঘ্রাণ’। মাসুম শাহরিয়ারের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন স্বপন বিশ্বাস। এতে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এফ এস নাঈম ও ফারজানা আহসান মিহি। এ ছাড়া অভিনয় করেছেন সাহেলা আক্তার, সফর শুভ, মিঠুন ডলার, মো. মনির, তাসনিয়া রহমান প্রমুখ। নাটকের গল্প এমন চৈত্রের বিকেল। শুভ্রা তার শহর ছেড়ে যাচ্ছে। ছেড়ে যাচ্ছে এই শহরে তার ভালোবাসার মানুষ। নির্জন নদীর ধারে রাধাচূড়া গাছটার নিচে অরুণের সঙ্গে যেখানে ও দেখা করে। যাবার আগে আজও দুজন সেখানেই দেখা করতে এসেছে। দীর্ঘ চার বছর স্বপ্নের জাল বোনা দুজন মানুষের একজন কাল চলে যাবে এক দূরের শহরে। জোসনার রাত্তিরে অরুণ চাইলেও আর শুভ্রার জানালায় গিয়ে শিস বাজাতে পারবে না। ভরদুপুর আবদার করে কেউ কাউকে বলতে পারবে না, এখনই বের হও, তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করছে। ভালোবাসার অনুরণনে তাদের চোখ আর্দ্র হয়। বিদায় নেওয়ার সময় একজন অন্যজনকে কথা দেওয়া দুজন দুজনেরই থাকবে। কোনও কিছুই তাদের আলাদা করতে পারবে না। অরুণ মাস্টার্স শেষ করে একটা চাকরি খুজছে। আর শুভ্রা অনার্স করেছে। দুজনেই থিয়েটার করত এই শহরে। শুভ্রা এই শহরের মেয়ে না। বাবার বদলির চাকরি, তাই এই শহরে আসা। কাজেই তাকে ফিরে যেতে হয়। অরুণের পরিবারে আছে বাবা-মা আর বড় বোন। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। সপ্তাহ ঘুরতেই একটা চাকরির ইন্টারভিউ দিতে অরুণ ঢাকাতে যাবে। শুভ্রার সঙ্গে দেখা হবে, এই ভেবেই ছটফট করে অরুণ। ইন্টারভিউয়ের পরই অরুণ বুঝতে পারে চাকরিটা হবে না। শুভ্রার সঙ্গে দেখা করে। শুভ্রা অরুণকে বাসে তুলে দেয় দিনশেষে। বিদায় বেলায় দুজনেরই মনখারাপ হয়।