সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

ব্রাজিলে নির্বাচন: বলসোনারোকে হারিয়ে লুলা ফের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন

এপি, সাওপাউলো :

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বামপন্থী প্রার্থী লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা জনগণের ভোটে জয়ী হয়েছেন। রবিবার দ্বিতীয় ধাপের তুমূল প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ভোটে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকে হারিয়েছেন তিনি।

রবিবার রাত ১০টার দিকে ৯৯.৯ শতাংশ ভোট গণনার ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দা সিলভা পেয়েছেন ৫০.৯ শতাংশ, আর বলসোনারো পেয়েছেন ৪৯.১ শতাংশ ভোট।

ভোটের আগে প্রচারণার সময় বোলসোনারো নির্বাচনে সম্ভাব্য কারচুপির আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। নির্বাচনে কারচুপি হলে তিনি পরাজয় না মেনে ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করবেন বলে জানিয়েছেন।

৭৭ বছর বয়সী দা সিলভা ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রাজিলের ৩৫তম রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। তিনবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর ২০০২ সালে তিনি জয়লাভ করেন এবং ২০০৬ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন।

২০১৭ সালের জুলাইয়ে লুলাকে হুন্ডি ও দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেয়া হয়। লুলা রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করে ব্যর্থ হন এবং ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর লুলা ২০১৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেয়ার চেষ্টা করলে তাকে দেশের ঊর্ধ্বতন নির্বাচনী আদালত ‘ফিচা লিম্পা’ নামক আইনের আওতায় বাধা দেয়।২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে লুলাকে কারাগার থেকে মুক্ত করা হয়।

জয়ের পর সাও পাওলো শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি হোটেলে বক্তৃতায় দা সিলভা বলেন, ‘আজকের এই জয় ব্রাজিলের জনগণের। এটি আমার বা ওয়ার্কার্স পার্টির বিজয় নয়, যে দলগুলো আমাকে প্রচারণায় সমর্থন করেছিল। একটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিজয় যা রাজনৈতিক দল, ব্যক্তিগত স্বার্থ এবং মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে গঠিত যাতে গণতন্ত্র বিজয়ী হয়।’