সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

রংপুরে আইনজীবী হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর :

রংপুর নগরীতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী আসাদুল হক (৬০) হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক হাসান মাহমুদুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন নগরীর তাজহাট থানা এলাকার ধর্মদাস বারো আউলিয়া গ্রামের মৃত জাফর ড্রাইভারের ছেলে রতন মিয়া (৩২) এবং খোর্দ্দ তামপাট আদর্শপাড়া এলাকার মনির মিস্ত্রীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৬)। এ ছাড়া মোর্শেদা বেগম নামে এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, নিহত আইনজীবী আসাদুল হক রংপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য ও সাবেক এপিপি ছিলেন।
নিহত আইনজীবীর দুই মেয়ে। বড় মেয়ে আশা হক অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। করোনা পরিস্থিতিতে ছোট মেয়ে বগুড়া আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী আরফিন নাহার অংকনকে নিয়ে স্ত্রী নিজ গ্রামের বাড়ি মিঠাপুকুর উপজেলার বালুয়া ছড়ান এলাকায় অবস্থান করছিলেন। আর ধর্মদাস বারো আউলিয়া এলাকার ওই বাড়িতে আসাদুল হক একা থাকতেন।
ঘটনার দিন ২০২০ সালের ৫ জুন (শুক্রবার) বেলা দেড়টার দিকে চুরি করতে গিয়ে আইনজীবীর হাতে ধরা পড়েন রতন। এ সময় আসাদুল হকের গলায় এবং পেটে ছুরিকাঘাত করে দেয়াল টপকে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা রতনকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে তাজহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার করে।এ ঘটনায় আসাদুল হকের ছোট মেয়ে আরফিন নাহার অঙ্কন বাদী হয়ে ওইদিনই রতন ও সাইফুলকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।পরবর্তীতে তদন্তে মোর্শেদা বেগমের নাম উঠে আসে। মোর্শেদা বেগম মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি রতনের মা।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সরকারি কৌঁসুলি আবদুল মালেক রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে বলেন, আমরা ন্যাচবিচার পেয়েছি। আশা করি উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে।