সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

রুদ্ধদ্বার আলোচনার কথা গণমাধ্যমে ফাঁস, ট্রুডোকে দুষলেন শি

অনলাইন ডেস্ক :

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি২০ সম্মেলনের চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর মধ্যে হওয়া রুদ্ধদ্বার বৈঠকের বিস্তারিত গণমাধ্যমের কাছে ফাঁস হওয়ায় সামনাসামনি ট্রুডোর সমালোচনা করেছেন শি। গত বুধবার এ বিষয়ে চীনা নেতাকে প্রকাশ্যে বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। শি কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, বৈঠকের কথা ফাঁস করা অনুচিত হয়েছে। ট্রুডোর বিরুদ্ধে ‘আন্তরিকতায় ঘাটতির’ অভিযোগও এনেছেন তিনি। কানাডার গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও ফুটেজে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শি ও ট্রুডোকে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে দোষাভীর মাধ্যমে কথা বলতে দেখা গেছে। চীনের গুপ্তচরবৃত্তি আর কানাডার নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ নিয়ে দু’নেতার আলোচনা সংক্রান্ত গণমাধ্যমের খবরকে ইঙ্গিত করে চীনা প্রেসিডেন্ট এসব অভিযোগ করেছেন বলে ধারণা বিবিসির। জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে চীন ও কানাডার দুই শীর্ষনেতার মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ওই আলোচনা হয়েছিল; এটি ছিল কয়েক বছরের মধ্যে এই যুগলের প্রথম বৈঠক। “আমরা যা আলোচনা করেছি, তার সবকিছুই খবরের কাগজে ফাঁস হয়ে গেছে, এটা অনুচিত,” ভিডিওতে মান্দারিন ভাষায় ট্রুডোর উদ্দেশ্যে চীনের নেতাকে এমনটাই বলতে দেখা যায়। ওই ফুটেজে শি-কে বিরল খোলামেলা ভঙ্গিতে দেখা গেছে, সাধারণত চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তাকে খুবই সাবধানতার সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়। শি-র অভিযোগের পর হাসিমুখে মাথা নাড়িয়ে ট্রুডো বলেন, “কানাডায় আমরা অবাধ, মুক্ত ও খোলামেলা আলোচনায় বিশ্বাস করি, এবং আমাদের এটি চালিয়ে যেতে হবে। “আমরা একসঙ্গে গঠনমূলক কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাবো, কিন্তু এমন অনেক কিছুই থাকবে, যা নিয়ে আমরা একমত হবো না।”কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কথা শেষ হওয়ার আগেই তাকে থামিয়ে দিয়ে শি বলেন, তিনি যেন আগে ‘পরিবেশটা ঠিক করেন’। এরপর তিনি ট্রুডোর সঙ্গে করমর্দন করে চলে যান। দুই নেতার অল্প সময়ের এই কথোপকথনের ভিডিওতেই চীন ও কানাডার মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। ২০১৮ সালে কানাডা হুয়াওয়ে টেকনোলজির নির্বাহী মেং ওয়ানঝুকে গ্রেপ্তার করলে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে চীনও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দুই কানাডীয়কে গ্রেপ্তার করে। তিনজনই পরে ছাড়া পান। সম্প্রতি কানাডা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে হাইড্রো-ক্যেবেকের এক সরকারি পরিষেবা কর্মী ইউশেং ওয়াংকে গ্রেপ্তার করার পর বেইজিং-অটোয়া উত্তেজনা ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। “ওয়াং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনকে সুবিধা দিতে এমন গোপনীয় বাণিজ্য তথ্য হাতিয়ে নিয়েছেন, যা কানাডার অর্থনৈতিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে,” বিবৃতিতে বলেছে কানাডার পুলিশ। ওয়াংয়কে প্রেপ্তারের সময় ট্রুডো ও প্রেসিডেন্ট শি দুজনই ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে জি২০ সম্মেলনে ছিলেন।