Skip to content

LIVE 45'+4'
Ivory Coast
0-0
Ecuador
Source: ESPN

মধুচন্দ্রিমায় দাদাকে অনুসরণ করলেন গৌরব

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মহানায়ক’ খ্যাত অভিনেতা উত্তম কুমার। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে তার নাতি গৌরব চট্টোপাধ্যায় দ্বিতীয়বারের সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন প্রেমিকা দেবলীনার সঙ্গে। বিয়ের ৮ মাস পর গোয়ায় মধুচন্দ্রিমায় গিয়েছেন এই দম্পতি। সেখানে দাদাকে অনুসরণ করলেন গৌরব। তার ইনস্টাগ্রাম ঘুরে এমনটাই দেখা যায়। সোমবার ইনস্টাগ্রামে কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন গৌরব। তাতে দেখা যায়, স্ত্রী দেবলীনা কুমারের সঙ্গে সুইমিং পুলের সামনে অন্তর্বাস পরে দাঁড়িয়ে আছেন গৌরব। তার পরনে কালো রঙের অন্তর্বাস। সাজ ও একই ভঙিতে বহু বছর আগে ছবি তুলেছিলেন স্বয়ং মহানায়ক। গৌরবের মতো তিনিও তখন তরুণ। এখনো সেই ছবি হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে তোলে সহ¯্র অনুরাগীর। গৌরবকে এমন মেজাজে দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন তার অনুরাগীরা। আড়াই বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর গাঁটছড়া বাঁধেন গৌরব-দেবলীনা। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর হিন্দু মতে বিয়ে করেন তারা। ১৩ ডিসেম্বর ইসলাম ধর্ম অনুসারে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় তাদের। গত ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার বাইপাসের ধারে পি সি চন্দ্র গার্ডেনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেদিন খ্রিষ্টান ধর্ম মতে বিয়ের পর্ব সারেন এই প্রেমিক যুগল। দেবলীনার প্রথম হলেও গৌরবের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। ২০১৩ সালে অভিনেত্রী অনিন্দিতা বসুর সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন গৌরব। কিন্তু তিন বছর পরই সম্পর্কে ইতি টানেন তারা। কিন্তু দেবলীনার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ালেন কীভাবে? এ প্রশ্নের উত্তরে দেবলীনা জানান, গৌরবের বোন মৌ তার বান্ধবী। সেই সূত্রে তাদের পরিচয়। আর মৌয়ের বিয়েতে একসঙ্গে নেচেছিলেন দেবলীনা-গৌরব। তারপর শুরু হয় মনের লেনাদেনা। ধীরে ধীরে শক্ত হয় তাদের সম্পর্কের বাঁধন। দেবলীনা তৃণমূল নেতা দেবাশিস কুমারের মেয়ে। উত্তম কুমার ও গৌরী দেবী দম্পতির একমাত্র সন্তান গৌতম চট্টোপাধ্যায়। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৫৩ বছর বয়সে মারা যান তিনি। গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র গৌরব চট্টোপাধ্যায়, উত্তম কুমারের একমাত্র নাতি। ১৯৬৩ সালে উত্তম কুমার তার পরিবার ছেড়ে চলে যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অর্থাৎ দীর্ঘ ১৭ বছর জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবীর সঙ্গে বসবাস করেন তিনি।২০০৬ সালে ‘ভালোবাসার অনেক নাম’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন গৌরব চট্টোপাধ্যায়। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলোÑ‘কে তুমি নন্দিনী’, ‘পথের শেষ কোথায়’, ‘রং মিলান্তি’, ‘ইতি’, ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ প্রভৃতি।