সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক :

দক্ষিণ আফ্রিকায় চলছে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। প্রথম দুই ম্যাচই হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথমটি শ্রীলঙ্কার কাছে এবং গত মঙ্গলবার হেরেছে অস্ট্রেলিয়ার কাছে। এর মাঝেই বিস্ফোরক এক খবরে শিরোনাম হলেন টাইগ্রেসরা। বিশ্বকাপ দলে থাকা বাংলাদেশের এক ক্রিকেটারকে স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে! আর সেই ক্রিকেটার হলেন লতা ম-ল। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, লতাকে প্রস্তাব দিয়েছেন বিশ্বকাপ দলে সুযোগ না পাওয়া তারই সতীর্থ সোহেলী আক্তার! বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভি এই ফিক্সিং প্রস্তাবের ফোনালাপ ফাঁস করেছে। ফাঁস হওয়া অডিওতে শোনা যায় সোহেলী লতাকে বলছেন, ‘ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি তোমার কোনো ক্ষতি করব না। তোমার যখন ইচ্ছে হবে ফিক্সিং করবে। যখন চাইবে না, করবে না। কোন ম্যাচে ফিক্সিং করবে, সেটা তোমার ব্যাপার। ধরো তুমি একটা ম্যাচে ভালো খেললে। তাহলে পরের ম্যাচে ফিক্সিং করতে পারো। তুমি স্টাম্প-আউট বা হিট উইকেট হতে পারো। যদি ২০-৩০ লাখের বিনিময়ে হিট উইকেট হতে অসুবিধা থাকে, তবে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে স্টাম্প-আউট হতে পারো। তোমার যদি এটা কম মনে হয়, তবে বলতে পারো। আমি ভাইয়ার সঙ্গে কথা বলব। মনে রেখো, এটা কথাটা শুধু তোমার-আমার মধ্যে থাকবে।’ তবে লতা ম-ল এই লোভের ফাঁদে পা দেননি। তিনি স্পষ্ট বলে দেন, ‘বান্ধবী আমি এগুলোর মধ্যে নাই। তুমি আমাকে এগুলো বইলো না। এগুলো আমাকে দিয়ে কখনো হবে না। আমাকে এসব বইলো না, প্লিজ।’ এরপর তিনি আইসিসির নিয়মানুযায়ী ফিক্সিংয়ের প্রস্তাবের কথা বিসিবিকে জানিয়ে দেন। বিসিবির পক্ষ থেকেও দ্রুত আইসিসির দুর্নীতি দমন শাখাকে অবহিত করা হয়। এদিকে যমুনা টিভির কাছে সোহেলী আক্তার ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তার দাবি, ‘আকাশ’ নামের এক জুয়াড়ির কাছ থেকে তিনি প্রস্তাব পেয়ে লতার সঙ্গে কেবল মধ্যস্থতা করেছেন। এ কাজ করে কোনো ভুল করেননি বলেও দাবি করেন সোহেলী। এদিকে ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেছেন, ‘আইসিসির অ্যান্টিকরাপশন ইউনিটই এ বিষয়টি দেখভাল করছে। আমাদের খেলোয়াড়রা খুবই ওয়াকিবহাল যে তাদের কী করতে হবে আর কী করতে হবে না। যদি ফিক্সিংয়ের ব্যাপারে কোনো প্রস্তাব আসে তাদের কাছে, তাহলে সে ব্যাপারে তাৎক্ষণিক যে আইসিসি এসিইউকে (আকসু) জানাতে হবে, সে ব্যাপারে তারা জানে। এখন এটা বিসিবির হাতে নয়। বিসিবি তদন্তও করবে না। আমরা যে রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে তা নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্য করব না। প্রকৃতিগতভাবেই এ বিষয়টা খুবই স্পর্শকাতর।’