সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

ঢাবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দলটির নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) পৌনে ১১টার দিকে টিএসসি প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এতে ছাত্র অধিকার পরিষদের ৩ জন গুরুতর ও অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ছাত্র অধিকার পরিষদ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে টিএসসিতে আসার আগেই ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সেখানে অবস্থান নেয়। ছাত্র অধিকারের লোকজন আসলে তারা পাল্টা স্লোগান দিতে থাকে। এভাবে ১০-১৫ মিনিট চলার পর ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা স্থান ত্যাগ করতে চাইলে তাদের মারধর শুরু করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। প্রথমে টিএসসি গেটে পরে ডাস চত্বর এবং মিলন চত্বরে ছাত্র অধিকারের নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাবি শাখার সভাপতি আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা টিএসসিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান পালন করতে আসলে তারা গেটেই আমাদের বাধা দেয়। বিদ্রƒপ করে স্লোগান দিতে থাকে। আমরা চলে যেতে চাইলে আমাদের ওপর কয়েক ধাপে হামলা চালায়। কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, সহ-সভাপতি আখতার হোসেন এবং কর্মী ইউনুস গুরুতর এবং আরও ১০ জনের বেশি আহত হয়েছে। তাদেরকে আমরা ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসছি। ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে এ হামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী এক সাংবাদিক বলেন, আমি দায়িত্ব পালন করতে গেলে ডাস চত্বরে জহুরুল হক হল ছাত্রলীগের জয়েন্ট সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান ফরিদসহ কয়েকজন আমার দিকে তেড়ে আসে। ভিডিও করছি কেন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। পরে প্রক্টরিয়াল টিম ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা এসে আমার পরিচয় দিলে তারা চলে যায়। পরে তারা সাংবাদিক সমিতির বাইরের কোনো সাংবাদিক ভিডিও করছে কিনা খোঁজ করতে থাকে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়নকে বেশ কয়েক বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, এ ঘটনার কোনো কিছু আমি জানি না। আমি খোঁজ নিচ্ছি।