সাম্প্রতিক
বিএনপি চাঁদাবাজ দল—এটা ‘ঢালাও’ অভিযোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ৫৩৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান-শায়ানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারি বৃষ্টিতে ৫৬ মৃ’ত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারের বেশি বাড়িঘর সংবিধান সংশোধনে আবারও গণভোট হবে: বিশেষ কমিটি ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুলের সঙ্গে আ’লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীদের যাতায়াত সুবিধায় সড়কে নামছে আরও ১০০ পিংক বাস আগামী দুই মাসে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ৮ মাসে ৭২৩ চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে ৮৫ শতাংশের
Skip to content

‘আমরা দেউলিয়া দেশে বাস করছি’

অনলাইন ডেস্ক :

দক্ষিণ এশিয়ার পরমাণু শক্তিধর দেশ পাকিস্তান যেকোনো সময় খেলাপি বা দেউলিয়া হতে পারে বলেও বিভিন্ন সময়ই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকে। তবে এবার যেন বেশ স্পষ্টভাবেই নিজেদের প্রকৃত অবস্থান তুলে ধরলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তান ইতোমধ্যেই খেলাপি হয়ে গেছে। আর এর জন্য খাজা আসিফ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী, আমলাতন্ত্র এবং রাজনীতিবিদসহ ‘সবাইকে’ দায়ী করেছেন। গত রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ডন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের শিয়ালকোট শহরে একটি বেসরকারি কলেজের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। সেখানে তিনি বলেন, ‘আপনারা হয়তো শুনে থাকবেন যে, পাকিস্তান দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে বা খেলাপি রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে বা বিপর্যয়কর পতন বা ভাঙ্গনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। (এটা হবে, এখন আর এমন নয়) এটা ইতোমধ্যেই হয়েছে। আমরা একটি দেউলিয়া দেশে বাস করছি।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি স্থিতিশীল দেশ হওয়ার জন্য নিজের পায়ে দাঁড়ানো অপরিহার্য। আমাদের সমস্যার সমাধান দেশের মধ্যেই নিহিত। আইএমএফের কাছে পাকিস্তানের সমস্যার সমাধান নেই। খাজা আসিফ বলেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তা গত সাত দশকে সংবিধান ও আইনের শাসনের প্রতি নূন্যতম বিবেচনারই ফলাফল। বিশ্বকাপজয়ী সাবেক ক্রিকেট তারকা ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন সাবেক পিটিআই সরকারকে কটাক্ষ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসিফ বলেন, আড়াই বছর আগে সন্ত্রাসীদের পাকিস্তানে আনা হয়েছিল যা শেষ পর্যন্ত সন্ত্রাসবাদের বর্তমান তরঙ্গে পরিণত হয়েছে। করাচিতে পুলিশ সদর দপ্তরে হামলার বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কেপিওতে (করাচির পুলিশ কার্যালয়ে) হামলাকারীদের সঙ্গে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে। সূত্র : ডন