সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

‘আমরা দেউলিয়া দেশে বাস করছি’

অনলাইন ডেস্ক :

দক্ষিণ এশিয়ার পরমাণু শক্তিধর দেশ পাকিস্তান যেকোনো সময় খেলাপি বা দেউলিয়া হতে পারে বলেও বিভিন্ন সময়ই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকে। তবে এবার যেন বেশ স্পষ্টভাবেই নিজেদের প্রকৃত অবস্থান তুলে ধরলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তান ইতোমধ্যেই খেলাপি হয়ে গেছে। আর এর জন্য খাজা আসিফ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী, আমলাতন্ত্র এবং রাজনীতিবিদসহ ‘সবাইকে’ দায়ী করেছেন। গত রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ডন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের শিয়ালকোট শহরে একটি বেসরকারি কলেজের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। সেখানে তিনি বলেন, ‘আপনারা হয়তো শুনে থাকবেন যে, পাকিস্তান দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে বা খেলাপি রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে বা বিপর্যয়কর পতন বা ভাঙ্গনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। (এটা হবে, এখন আর এমন নয়) এটা ইতোমধ্যেই হয়েছে। আমরা একটি দেউলিয়া দেশে বাস করছি।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি স্থিতিশীল দেশ হওয়ার জন্য নিজের পায়ে দাঁড়ানো অপরিহার্য। আমাদের সমস্যার সমাধান দেশের মধ্যেই নিহিত। আইএমএফের কাছে পাকিস্তানের সমস্যার সমাধান নেই। খাজা আসিফ বলেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তা গত সাত দশকে সংবিধান ও আইনের শাসনের প্রতি নূন্যতম বিবেচনারই ফলাফল। বিশ্বকাপজয়ী সাবেক ক্রিকেট তারকা ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন সাবেক পিটিআই সরকারকে কটাক্ষ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসিফ বলেন, আড়াই বছর আগে সন্ত্রাসীদের পাকিস্তানে আনা হয়েছিল যা শেষ পর্যন্ত সন্ত্রাসবাদের বর্তমান তরঙ্গে পরিণত হয়েছে। করাচিতে পুলিশ সদর দপ্তরে হামলার বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কেপিওতে (করাচির পুলিশ কার্যালয়ে) হামলাকারীদের সঙ্গে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে। সূত্র : ডন