সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

চবিতে ছাত্রলীগের উপগ্রুপের মধ্যে ফের সংঘর্ষে ৮ কক্ষ ভাঙচুর, আহত ৩

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের উপগ্রুপের মধ্যে ফের সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে জড়িয়েছে ‘বিজয়’ গ্রুপ। এদের এক পক্ষ আলাওল ও এএফ রহমান হল এবং আরেকটি পক্ষ সোহরাওয়ার্দী হলে অবস্থান করছে।

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সোহরাওয়ার্দী হল মাঠে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে উভয় পক্ষের ইট পাটকেল নিক্ষেপে তিন ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছে। এছাড়া ভাঙচুর করা হয়েছে সোহরাওয়ার্দী হলের আটটি কক্ষ। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নিজ নিজ হলের সামনে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, ছাত্রলীগের উপগ্রুপ বিজয়ের অনুসারীরা দুই ভাগে বিভক্ত। এক পক্ষ আলাওল হল ও এএফ রহমান হল থাকে। অপরপক্ষ সোহরাওয়ার্দী হলে অবস্থান করে। ২০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতের সংঘর্ষের পর উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকে। সেই রাতের সংঘর্ষের জের ধরেই আজ আবারও হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেদিন ঘটনার মীমাংসা না হওয়ায় কয়েকদিন থেকেই উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকে। এ ঘটনার জেরে শুক্রবার আলাওল হল ও এএফ রহমান হলে অবস্থানরত বিজয় গ্রুপের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হলে অবস্থানরত কর্মীদের ওপর আকস্মিক হামলা চালান। পরে সোহরাওয়ার্দী হলের গ্রুপ পাল্টা আক্রমণের সিদ্ধান্ত নিলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
একপক্ষ সোহরাওয়ার্দী হলের ছাদে ও অপরপক্ষ সোহরাওয়ার্দী হলে মাঠে অবস্থান নেয়। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে তুমুল ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সোহরাওয়ার্দী হলের কয়েকটি কক্ষও ভাঙচুর করা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে নেতাকর্মীরা যার যার হলের দিকে ফিরে যান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ড. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশ সবাইকে যার যার হলে পাঠিয়ে দিয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে উভয়পক্ষের কোনো নেতার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

—-ইউএনবি