Skip to content

LIVE 19'
Argentina
0-0
Austria
Source: ESPN

আফগানিস্তান সিরিজের বিবেচনায় নেই মাহমুদউল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক :

বেশ কিছুদিন ধরেই জাতীয় দলের বাইরে থাকা মাহমুদউল্লাহর ফেরার অপেক্ষা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। হজ করতে যাবেন বলে দুই সপ্তাহের ছুটি পেয়েছেন তিনি। সামনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের বিবেচনায় তাই থাকছেন না অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। আফগানিস্তানের বিপক্ষে লড়াইয়ের আগে প্রাক-সিরিজ প্রস্তুতি পর্বে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বসেছে যেন ক্রিকেটারের মেলা। বিভিন্ন সংস্করণে জাতীয় দলের বিবেচনায় থাকা ক্রিকেটাররা আছেন সেখানে। প্রধান কোচ চান্দিকা হাথুরুসিংহের ছুটি এখনও শেষ হয়নি। তবে সহকারী কোচ নিক পোথাস ও স্পিন বোলিং কোচ রঙ্গনা হেরাথের তত্ত্বাবধানে চলছে অনুশীলন।

জাতীয় দলের ম্যানেজার নাফিস ইকবাল যেটিকে বলছেন, ‘প্রি-সিরিজ ক্যাম্প।’ এই ক্যাম্পে নেই মাহমুদউল্লাহ। জাতীয় দলে নেই তিনি গত মার্চে ইংল্যান্ড সিরিজের পর থেকেই। টেস্ট ক্রিকেট থেকে তো বিদায় নিয়েছেন আগেই। টি-টোয়েন্টি দলেও জায়গা হারিয়েছেন গত বছর। এরপর শুধু ওয়ানডে দলেই ছিলেন। কিন্তু গত মার্চে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে ওয়ানডে দল থেকে ‘বিশ্রাম’ দেওয়া হয় তাকে। সেই বিশ্রাম চলতে থাকে এই মাসে ইংল্যান্ড সফরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের সময়ও। আফগানদের বিপক্ষে সিরিজেও সেই বিশ্রাম পর্ব চলে কি না, দেখার ছিল তা। তবে দল ঘোষণার অনেক আগেই সোমবার বিসিবিতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সেই কৌতূহলের সমাপ্তি টেনে দেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস।

“রিয়াদ (মাহমুদউল্লাহ) আমাদের কাছে আবেদন করেছে, সে হজে যাচ্ছে। ২২ জুন থেকে ৫ জুলাই হজে থাকবে। আমরা সেটা অনুমোদন দিয়েছি। হজের পর সে ক্যাম্পে যোগ দেবে। ওয়ানডে সিরিজ সে মিস করবে। প্রথম ম্যাচই ৫ জুলাই।” আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের একমাত্র টেস্ট শুরু ১৪ জুন। এরপর কিছুটা বিরতি দিয়ে ঈদের পর ওয়ানডে সিরিজের ৩ ম্যাচ ৫, ৮ ও ১১ জুলাই। আফগানিস্তান সিরিজের পর ও বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ ওয়ানডে খেলবে কেবল সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ ও নিউ জিল্যান্ডের সঙ্গে সিরিজ। দুটিই একদম বিশ্বকাপের আগে। ওই দুই আসরে বিশ্বকাপ দলটিরই খেলার সম্ভাবনা প্রবল। তাই আফগানিস্তান সিরিজে না থাকা মানে বিশ্বকাপ দলে থাকার সম্ভাবনায় বড় চোট হওয়ারই কথা। জালাল ইউনুস অবশ্য মনে করেন, মাহমুদউল্লাহর এবারের ছুটির সঙ্গে বিশ্বকাপ দলে থাকার সম্ভাবনায় কোনো সংঘাত হবে না।

“দেখুন, এটা খুব স্পর্শকাতর ইস্যু। সে হজ পালন করতে চাচ্ছে, আমরা সবাই চাই। এখানে সবাইকে আপস করতেই হবে। হজ পালন করা আমাদের মুসলমানদের জন্য ফরজ। সে একটা ফরজ কাজ করতে যাচ্ছে, সেখানে তো অবশ্যই আমাদেরও সাপোর্ট দিতে হবে, বিবেচনায় নিতে হবে। সেখানেৃ সেদিক থেকে তার হ্যাম্পার হওয়ার কথা নয়। নির্বাচিত হবে নাকি হবে না, এটা তো নির্বাচকরাই বলে দেবেন। তবে এটার জন্য (হজ) ওটার কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।”