সাম্প্রতিক
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল তেলের দাম রাশিয়ায় নতুন করে ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া, দাবি জেলেনস্কির হাসিনা ও হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ঢাকার চাষের মাছে কাদা-কাদা গন্ধ হয় কেন, কী করলে গন্ধ থাকবে না? জুলাই-পরবর্তী সাংস্কৃতিক পরিসর: পরিবর্তনের ইঙ্গিত কোথায়? সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকার চুক্তি সামিরা-আজিজের, দাবি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর দেশে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, এক বছরে ৩০ বার বন্ধ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র
Skip to content

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জামিন পেলেও কারামুক্তি পাচ্ছেন না ইভ্যালির রাসেল

ফাইল ছবি

প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেলকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে রাসেলের বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় তিনি এখনই কারামুক্তি পাচ্ছেন না।

মঙ্গলবার (৬ জুন) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রাসেলের জামিন বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে রায় দেওয়া হয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

আদেশের পরে অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম বলেন, রাসেলের বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় তিনি এখনই কারামুক্তি পাচ্ছেন না।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী বলেন, রাসেলের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।

প্রতারণার অভিযোগে ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টম্বর মো. রাসেল তার স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার হন। ওই দিন বিকাল পাঁচটার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে তাদের আটক করে র‌্যাব। পরে অবশ্য তার স্ত্রী জামিনে মুক্তি পান।

২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির গ্রাহক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে রাসেল দম্পতিসহ অজ্ঞাত ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে বাড্ডা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ মামলা করেন।

মামলায় বলা হয়, ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইভ্যালি থেকে ইলেকট্রনিক পণ্য কেনার জন্য বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে ২৮ লাখ টাকা পাঠান বাদী। অর্ডার দেওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার কথা থাকলেও ৭ মাস পরও তিনি তা পাননি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রদীপ কুমার দাস গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

চলতি বছরের ২ মার্চ ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত এ মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

—-ইউএনবি