সাম্প্রতিক
২৫ বছর আগে ১ অক্টোবরের নির্বাচনে যেভাবে বড় জয় পেয়েছিল বিএনপি অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো ‘অভিযান’ চালানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগপত্র গৃহীত, সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা ক্যালিফোর্নিয়ায় বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ অঙ্গরাজ্যে কেন নয়? চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ১৫ বছর চালাবে বিদেশি অপারেটর, চুক্তি অনুমোদন অক্টোবরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কা ৪৬ হাজার কোটি টাকায় মেট্রোরেলের ভূগর্ভস্থ-উড়ালপথ নির্মাণের অনুমোদন ৪৫৯২ জনবল নিয়ে সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, থাকবেন ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট অবরোধে অস্থির ফ্রান্স: শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, বন্ধ ১৬০টির বেশি স্কুল একটি দলের ‘অপশক্তি’ অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

নেসকোতে কোটি টাকার দুর্নীতি, রাজশাহীতে দুদকের অভিযান

জেলা প্রতিনিধি :

রাজশাহীতে নর্দান ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (নেসকো) ব্যবস্থাপনা বেশ কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ এবং দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এর প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত বুধবার বিকেলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট টিম এ অভিযান পরিচালনা করে। রাজশাহী জেলা দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন, উপসহকারী পরিচালক সদীপ কুমার চৌধুরী, সহকারী পরিদর্শক মো. মাহবুবুর রহমান এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন। দুদক জানায়, ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ না করে বিল উত্তোলন, বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ লুটপাট করে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে নেসকোর কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। দুদক সূত্রে জানা যায়, নেসকোর নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুল আজিজ ও নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ গোলাম আহম্মেদের কাছে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের লাইট লাগানো হিসেবের নথির পাশাপাশি অন্যান্য কাজের টেন্ডার সংক্রান্ত রেকর্ড-পত্রও চাওয়া হয়েছে। এছাড়া, হাজিরার রেকর্ড, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অভিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন বিলের হিসাব, নিয়োগ সংক্রান্ত রেকর্ড-পত্র, বিভিন্ন প্রকল্পের তালিকা ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত রেকর্ড-পত্রের ফটোকপিসহ আরও নানা বিষয়ে তথ্য জানতে চেয়েছে দুদক। কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব তথ্য জেলা দুদক কার্যালয়ে সরবরাহের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দুদক সূত্র আরও জানায়, নেসকোর নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুল আজিজ, নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ গোলাম আহম্মেদ, সৈয়দ আবু তাহের (ডিসিএস), সুব্রত কুমার দাস (নির্বাহী পরিচালক), মো. শরিফুল আওলাদ (নির্বাহী পরিচালক), মো. আবু মোতালেব (ম্যানেজার), মো. দেলোয়ার হোসেন (ডিজিএম), মো. নজরুল ইসলাম (উচ্চমান হিসাব সহকারী) ও মো. শহীদুল ইসলামসহ (উচ্চমান হিসাব সহকারী) এবং তাদের স্ত্রীদের সবশেষ আয়কর নথির ফটোকপি আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দুদক কার্যালয়ে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দুদক জানায়, এসব তথ্য পর্যালোচনা করে বিস্তারিত প্রতিবেদন পরবর্তিতে কমিশনে জমা দেওয়া হবে।