সাম্প্রতিক
জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই চড়া নিত্যপণ্যের বাজার পাকিস্তান সফর কবে যাবেন, সাংবাদিকদের প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: পুলিশ সৌদি-হুতি সংঘাত: রিয়াদে যাচ্ছেন পাকিস্তান-তুরস্কের সেনাপ্রধান, যুদ্ধের প্রস্তুতি? চুয়েটে নতুন ভিসিকে ‘প্রত্যাখ্যান’, রোববার থেকে শিক্ষকদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ মৃত্যু অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন জাতিসংঘে জাইমা রহমানের নিয়োগ: লিগ্যাল অফিসার পদটির কাজ কী? চীনের প্রেসিডেন্টকে নৈশভোজে কী খাওয়ালেন ট্রাম্প, অতিথি ছিলেন প্রযুক্তি দুনিয়ার মহারথীরা হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের ৭ দিনের পরিকল্পনায় কী আছে
Skip to content

যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের সুযোগ নেই: বাইডেন

অনলাইন ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় এক শ্বেতাঙ্গ বন্দুকধারী তিনজন কৃষ্ণাঙ্গকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আবারও আলোচনার টেবিলে উঠে এসেছে বর্ণবিদ্বেষ ও শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যর বিষয়টি। এমন প্রেক্ষাপটে মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের কোনো সুযোগ নেই।’ প্রেসিডেন্ট বাইডেন নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক জানিয়ে রোববার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমরা এমন একটি দেশে বাস করি যেখানে আমাদের স্কুল-কলেজে যাওয়া কালো শিক্ষার্থী বা তাদের পরিবার শুধু ত্বকের কারণে হামলার আতঙ্কে বসবাস করে।

আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, নীরব থাকাটা একটা সমস্যা। কিন্তু আমাদের চুপ থাকা যাবে না। গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যের জ্যাকসনভিলেতে শ্বেতাঙ্গ বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হন তিন কৃষ্ণাঙ্গ। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী। তাদেরকে হত্যার পরে ওই বন্দুকধারীও আত্মহত্যা করেন। ওই বন্দুকধারীর বয়স ২০ বছরের মতো।

আত্মঘাতী বন্ধনী পরে এআর-রাইফেল ও হ্যান্ডগান নিয়ে ডলার জেনারেল নামে একটি দোকানে ঢুকে তিনি গুলি চালাতে শুরু করেন। শেরিফ টিকে ওয়াটারস বলেন, বন্দুকধারীর লক্ষ্য ছিলেন কৃষ্ণাঙ্গরা। তাঁদেরই তিনি গুলি করে হত্যা করতে চেয়েছিলেন। শ্বেতাঙ্গ ওই বন্দুকধারী বর্ণবাদী ছিলেন। কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি তাঁর বিদ্বেষ ছিল। ঘৃণা থেকেই বন্দুকধারী এ রকম হত্যাকা- ঘটিয়েছেন। প্রায়ই যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। তবু আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন পাসে নারাজ দেশটির আইনপ্রণেতারা।